কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
কৃষকদের নিজস্ব উত্পাদিত পণ্য স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাবেচার সুবিধার্থে কমলগঞ্জের রানীর বাজারে নির্মিত হয়েছে এ্যাসেম্বল সেন্টার। ফলে কৃষকরা অর্থ ও সময় দুটোতেই সাশ্রয়ী হচ্ছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত এ এ্যাসেম্বল সেন্টারের আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক পরিবার সেন্টার থেকে উপকৃত হচ্ছেন।
কমলগঞ্জ কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা কৃষ্ণ সিংহ জানান, সিলেট অঞ্চলের শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের অর্থায়নে সিলেট বিভাগের চার জেলার ৩০টি উপজেলায় উত্পাদিত কৃষি পণ্য লাভজনক করতে কৃষক, ব্যবসায়ী, প্রক্রিয়াজাতকারী ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে সংযোগ, পণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরে ২০১৫ সালে এ্যাসেম্বল সেন্টার তৈরির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উপজেলার রানীর বাজার এ্যাসেম্বল সেন্টারের নির্মাণ শেষে গত বছরের ১৩ মে উদ্বোধন করা হয়। তবে প্রায় দুমাস ধরে কৃষকরা এ সেন্টার ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তিলকপুর গ্রামের কৃষক মাহমুদ আলী জানান, এ্যাসেম্বল সেন্টার বসার কারণে ওজন পরিমাপক, পণ্যে পানি দেওয়া ও পরিষ্কার করতে অসুবিধে হচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গা হতে ব্যবসায়ীরা এসে উত্পাদিত পণ্য কিনে নিচ্ছেন।
এ্যাসেম্বল সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিলেট কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ কর্মকর্তা মাহমুদ বিলাহ জানান, এ্যাসেম্বল সেন্টারকে কেন্দ্র করে কমলগঞ্জের রানীর বাজারের কয়েকটি গ্রামের কৃষককে নিয়ে কৃষি বিপণন গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপে ১০ জন সদস্য রয়েছে। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা বাড়ানো হয়েছে। গ্রুপের কৃষকরা এ সেন্টারটি দেখাশোনা করবেন।
