পুকুর থেকে বালু উত্তোলন

ঝুঁকিতে ৩৩ কেভির বৈদ্যুতিক খুঁটি

আপডেট : ১৩ মে ২০১৯, ২২:০২

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের সাদুরাপুল গ্রামে পুকুর থেকে বোমা মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি পাওয়ার লাইনের একটি খুঁটি। বালু উত্তোলনের ফলে খুঁটিটির নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ার কারণে যে কোনো মুহূর্তে খুঁটিটি পানিতে পরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে ও কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর  সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা ও ডিমলা উপজেলার সাথে সংযুক্ত ৩৩ কেভি পাওয়ার লাইনের একটি খুঁটি লাইন স্থাপন করার সময় পুটিমারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ওয়ার্ড সদস্য ওহাব মেম্বারের পুকুরের মধ্যে পড়ে। দীর্ঘদিন থেকে খুঁটিটি পুকুরের মধ্যে থাকলেও গত ১৫ দিন আগে পুকুরের মালিক ওহাব আলী পুকুরে অবৈধ বোমা মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করার ফলে খুঁটিটির গোড়ার মাটি সরে গিয়ে সেটি নড়বড়ে হয়ে যায়।

সাদুরাপুল গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেব, এমাজউদ্দিন, আব্দুল খালেকসহ অনেকেই বলেন, বর্তমানে তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে এবং প্রচণ্ড গরম হওয়ায় গ্রামের ছোট ছোট শিশুরা দলবেঁধে পুকুরে নেমে গোসল করছে। শিশুরা গোসল করার সময় যদি খুঁটিটি উপরে পড়ে তাহলে পুকুরের পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

পুকুরের মালিক ওহাব আলী বলেন, আমি মাছ চাষ করার জন্য পুকুরটিতে বোমা মেশিন লাগিয়ে  বালু উত্তোলন করেছি। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিটির নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ার কারণে বালু উত্তোলন করা বন্ধ রেখেছি। কিশোরগঞ্জ সাব-জোনাল অফিসের এজিএম কাজী মো. সেফাত রেজা ইবনে হক বলেন, পুকুরের মধ্যে পোলটি থাকার কারণে ৩৩ হাজার ভোল্টের লাইনটি নিরাপদ করার জন্য রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মিনি ঠিকাদারকে পোলটি সরানোর জন্য বলা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ওই পোলটি সরানোর কাজ রয়েছে। কাজটির নির্ধারিত সময় এখনো শেষ হয়নি।