বিজ্ঞান
জান্নাতুল ফেরদৌস স্বর্ণা, শিক্ষক
ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ. ঢাকা
শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজ অধ্যায় ১০-এর সংক্ষিপ্ত, যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর এবং শূন্যস্থান নিয়ে আলোচনা করা হল।
দশম অধ্যায়
আমাদের জীবনে তথ্য
১। লিপি আবিষ্কারের ফলে কী হল?
উ: লিপি আবিষ্কারের ফলে মানুষ তার মস্তিষ্ককে তথ্য ধারণের কাজে কম ব্যবহার করে নতুন কোন সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত করল।
২। Data কাকে বলে?
উ: যে কোন পরিস্থিতি সম্পর্কে খবর যখন সংগৃহীত হয় তাকে উপাত্ত বা Data বলে।
৩। ব্যক্তিজীবন, সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবন কিভাবে তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়?
উ:ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাব অপরিসীম, কয়েকটি উদাহরণের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, মনে করি, সমুদ্রের উপকূলের বায়ুচাপ ভীষণ হ্রাস পেল। এই উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আবহাওয়াবিজ্ঞানী জানলেন যে, প্রচণ্ড জলোচ্ছ্বাস হবে। এ তথ্য রেডিওতে প্রচারিত হলে সমুদ্র উপকূলের অনেকের জীবন রক্ষা পাবে। এতে ব্যক্তিগত জীবন যেমন রক্ষা পেল তেমনি সমুদ্রের জাহাজগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে পারা যায়। মাটির নিচের থেকে বিভিন্ন খনিজ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায় এবং এসব তথ্য উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে খনি থেকে উত্তোলন করে কাজে ব্যবহূত হয়। যেমন: কঠিন অসুখ হলে তা নির্ণয়ে চিকিত্সা ক্ষেত্রে ব্যবহূত তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহূত হয়। এছাড়া তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে বিভিন্ন রোগের লক্ষণ, বিভিন্ন ওষুধের ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া নানারকম ব্যাধির চিকিত্সার অর্জিত অভিজ্ঞতা ইত্যাদি সবই ইন্টারনেটে পাওয়া সম্ভব। তাই বলা যায় ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তথ্য অপরিসীম প্রয়োজনীয় একটি মাধ্যম এবং এটা জীবনকে প্রভাবিত করে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার করে কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়?
উ:ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম কাজ হলো প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধান। এজন্য Browsing Software যেমন:ফায়ারফক্স-ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার ব্যবহার করা যায়। নির্দিষ্ট তথ্যের উত্স খোঁজার জন্য অনেক search ইঞ্জিন আছে যেমন: গুগল (google) এজন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটে যেয়ে address box এ www.google.com লিখতে হয়। এতে যে নতুন উইন্ডো আসবে তাতে এ তথ্য সম্পর্কে লিখলেই search ইঞ্জিন এ সম্পর্কে ইন্টারনেটে যেসব ওয়েব পেজ আছে তা দেখাবে। এছাড়া image, videos, shopping বা অন্য option select করে তথ্য সম্পর্কিত ছবি, ভিডিও বা Product কেনা সম্পর্কে তথ্য নেয়া যায়।
৫। কম্পিউটারের কয়টি অংশ কী কী?
উ: কম্পিউটারের ছয়টি অংশ। যথা:- সিপিইউ, মনিটর, স্পিকার, প্রিন্টার, মাউস, কী-বোর্ড।
৬। তথ্য বিপ্লব কী?
উ: তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরতে এবং নতুন আবিষ্কার ও উদ্ভাবন সবকিছু সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ ও জ্ঞান সৃষ্টিতে কাজে লাগানো যায়। এছাড়া বিশ্বের জ্ঞান ভাণ্ডার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বলা হয় তথ্য বিপ্লব।
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
হিমন এডওয়ার্ড গোমেজ
সহকারি শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল, ঢাকা
প্রিয় শিক্ষার্থীবন্ধুরা শুভেচ্ছা জানবে, আজ তোমাদের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন এর অনুশীলনীর প্রশ্নের উত্তর দেয়া হলো। আশা করি তোমরা মনোযোগ সহকারে পড়বে।
১. মহাস্থানগড়ের কয়েকটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের বর্ণনা দাও।
উত্তর: মহাস্থানগড় বাংলাদেশের বিশেষ খ্যাতনামা ঐতিহাসিক স্থান। এটি খ্রিষ্টপূর্ব চার শতক থেকে পরবর্তী পনেরো শত বছরের বেশি সময়কালের বাংলা ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে। মহাস্থানগড় বগুরা শহর থেকে তেরো কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিমে অবস্থিত।
মহাস্থানগড়ের ঐতিহাসিক নিদর্শন: মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্ নগর ‘পুণ্ড্রনগর’ এর ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। মহাস্থানগড়ে মাটি খুঁড়ে অনেকগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে। এখানে একটি ‘ব্রাক্ষ্মী শিলালিপি’ পাওয়া গেছে। তাছাড়া এখানে পোড়া মাটির ফলক, ভাস্কর্য, স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, পাথর ও কাঁচের পুঁতি পাওয়া গেছে। এখানে ‘গোবিন্দ ভিটা’, ‘লক্ষিন্দরের মেধ’, ‘গোকুল মেধ’ নামে ধর্মীয় পুরাকীর্তি পাওয়া গেছে। ‘খোদাই পাথর’ নামে পরিচিত এক টুকরা বিশেষ পাথর পাওয়া গিয়েছে। মহাস্থানগড়ের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে আমলে নির্মিত এক গম্বুজের একটি মসজিদ রয়েছে। এটি ‘মহাস্থান মসজিদ’ নামে পরিচিত।
মহাস্থানগড়ের অনেক নিদর্শন এখানকার যাদুঘরে রাখা হয়েছে। এছাড়াও কিছু নিদর্শন রাজশাহীর বরেন্দ্র যাদুঘরে এবং ঢাকার জাতীয় যাদুঘরে রাখা হয়েছে।
২. সোমপুর মহাবিহারে কী কী নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?
উত্তর: পাহাড়পুরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তিটি ‘সোমপুর মহাবিহার’ নামে পরিচিত। রাজা ধর্মপালের শাসনামলে এটি নির্মিত হয়।
সোমপুর মহাবিহারের নিদর্শনসমূহ: সোমপুর বিহারের চারদিকে ১৭৭ টি কুঠুরী রয়েছে। মাঝখানে সুউচ্চ একটি মন্দির রয়েছে। তার চারপাশে রয়েছে অনেকগুলো ছোট মন্দির এবং পুকুর। এছাড়া রন্ধনশালা, ভোজনশালা, পাকা নর্দমা ও কূপের নিদর্শন রয়েছে। পাহাড়পুরের ধ্বংসস্তুপের ভিতরে পোড়া মাটির বেশকিছু মূর্তি ও চিত্র পাওয়া গেছে। এখানে চুনবালি ও ধাতব মূর্তিও পাওয়া গেছে। পাহারপুড়ের পুরাকীর্তিটি প্রাচীন বাংলার ধর্ম ও সংস্কৃতির ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর অন্যতম। প্রতিবছর অনেক দেশি-বিদেশি পর্যটক পাহাড়পুর ভ্রমণে যান।
৩. ময়নামতির পোড়ামাটির ফলকে কী কী দৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: কুমিল্লা শহর থেকে আট কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত। ময়নামতির প্রত্ন নিদর্শনসমূহ আট থেকে বারো শতক পর্যন্ত প্রায় চারশত বছরের দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার ঐতিহাসিক বৈশিষ্টের পরিচয় বহন করে।
ময়নামতির পোড়ামাটির ফলকের বর্ণনা: ময়নামতিতে মন্দিরগুলো কারুকার্য মণ্ডিত ছিল। মন্দিরের বাইরের দেয়াল ও অন্যান্য ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য পোড়ামাটির ফলক ব্যবহার করা হতো। পোড়ামাটির ফলকে অলৌকিক জীব ও পৌড়াণিক দৃশ্য রয়েছে। এখানে সিংহ বেজীর সঙ্গে যুদ্ধরত গোখরা সাপ, ঘোড়া, আগুয়ান হাতি,পদ্মে মুখ দেয়া রাজহাঁস ইত্যাদি দৃশ্য বিশেষ আকর্ষণীয়। তদুপরি ঢাল-তলোয়ার হাতে যোদ্ধা, নাচের ভঙ্গিতে নারী-পুরুষ ইত্যাদিও দৃশ্যও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
ময়নামতিতে একটি যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই যাদুঘরে অনেক নিদর্শন রাখা হয়েছে।
৪.সোনারগাঁয়ে কোন আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে?
উত্তর: সোনারগাঁও বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান। বর্তমানে সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত। মধ্যযুগে মুসলিম শাসন আমলে সোনারগাঁও বাংলার সুলতানদের রাজধানী ছিল। মুঘল আমলে বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ঈসা খাঁ ও তাঁর পুত্র মুসা খাঁর রাজধানী ছিল এখানে। এটি সে আমলের প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র ছিল।
উপরোক্ত আলোচনা দেখে বলা যায় মুঘল আমলে ও সুলতানি আমলের নিদর্শন সোনারগাঁয়ে রয়েছে।
ইংরেজি
মো. জসিম উদ্দীন বিশ্বাস প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
সুপ্রিয় সমাপনী পরীক্ষার্থীবৃন্দ, শুভেচ্ছা নিও। তোমরা জান dialogue তোমাদের নিকট নতুন একটি বিষয় যার পূর্ণ মান থাকবে ৫। মনোযোগ সহকারে পড়ে পরীক্ষার উত্তরপত্রে পরিচ্ছন্ন হাতের লেখা সহ উপস্থাপন করতে পারলে dialogue-এ অবশ্যই চমত্কার নম্বর পাওয়া যায়। তাই আজ তোমাদের জন্য dialogue দেওয়া হলো। তোমাদের জন্য আমরা পর্যায়ক্রমে ২০ টি দেয়া হবে।
Q3.Title Situation:Write a dialogue between you and your friend about your leisure activities.
(Speakers: Myself and my friend Farabi)
Myself :Hello! Farabi, how are you?
Farabi:I am fine. Thank you very much. How are you?
Myself:I am also fine.
Farabi:It seems that you are busy. Could you please tell me the reason?
Myself:Actually, I am going to my flower garden.
Farabi:That’s really fantastic! Could you please tell me about your leisure activities?
Myself:Of course. Mainly my leisure activities are gardening, reading story books, and playing cricket. In my leisure time I enjoy working in my flower garden. Sometimes, I play cricket with my friends as well.
Farabi:Is there any specific leisure activity designed for holyday?
Myself:We go for sightseeing on holiday. If my parents are busy, I read story books; even sometime I spend my leisure by playing computer games.
Farabi:Wow! You spend your leisure with so many activities.
Myself:Not really. I love to listen to music too.
Farabi:I am really delighted to listen about your leisure activities. I have enjoyed all.
Myself:Thank you very much for that.
Farabi:See you again, friend. Bye.
Myself:Bye!
