মোরেলগঞ্জে জোয়ারের পানিতে ২০ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৩, ২২:০৫
বেড়িবাঁধ না থাকায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরসহ ১০ ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রাম গতকাল সোমবার পূর্ণিমার জোয়ারে প্ল¬¬াবিত হয়েছে। পানগুছি নদীর কূল ছাপিয়ে রাস্তার ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়েছে। অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে অধিকাংশ দোকানে পানি ঢুকে ব্যবসায়ীদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। পৌর সদরের কাপুড়িয়া পট্টি, কলেজ রোড, পুরাতন থানা এলাকা, ফেরিঘাট এলাকা, উপজেলা চত্বর, ছোলমবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড, বারইখালী পুরাতন থানা এলাকার অনেক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন চত্বরে হাঁটু পানি প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম। উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে ৫৭০ হেক্টর জমির রোপা আমন বীজতলার অর্ধেকের বেশি তলিয়ে গেছে। ঘের মালিকরা জানান, অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা ইয়াকিন আলী জানান, জোয়ারের পানিতে উপজেলার ৩শ’ ঘের ডুবে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা। অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে জিয়ানগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত জিয়ানগর (পিরোজপুর) সংবাদদাতা জানায়, অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে জিয়ানগরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার কচা ও বলেশ্বর নদের তীরবর্তী উপকূলীয় উপজেলা জিয়ানগরের তিনটি ইউনিয়ন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়। ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে এই জনপদের নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষ। বিশেষ করে উপজেলার চাড়াখালী গুচ্ছগ্রাম, সাউদখালী চর, পাড়েরহাট আবাসন ও খোলপটুয়া জাপানী ব্যারাক হাউজের প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক লোক দিশেহারা হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে সাউদখালী চর এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য হারুন-অর রশিদ জানান, সাউদখালী চরে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় ১২০টি ভূমিহীন পরিবার মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কৃষি ক্ষেতে তীব্র মাত্রায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আউশ চাষিরা। অপরদিকে টগড়া, ইন্দুরকানী, কালাইয়া, খোলপটুয়া, বালিপাড়া এলাকার কয়েক কিলোমিটার বেড়ী বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়।