ভারতের লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপে ভোটগ্রহণ হবে ১৯ মে। কিন্তু শেষ পর্যায়ে এসে বেড়ে গেছে রাজনৈতিক নেতাদের নজিরবিহীন ব্যক্তিগত আক্রমণের ঘটনা। অলওয়ার গণধর্ষণ নিয়ে উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ইস্যুতে আগেও রাজনৈতিকভাবে মোদিকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন মায়াবতী। কিন্তু সোমবার ফের একই ইস্যুতেই মোদিকে বিধলেন মায়াবতী। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্যই স্ত্রীকে ছেড়েছেন মোদি। বহুজন সমাজবাদী নেত্রী মায়াবতী বলেন, নিজের বউকে যিনি ছেড়েছেন তিনি কীভাবে অন্যের বোন, স্ত্রীকে সম্মান করবেন? তাকে ভোট দেওয়া উচিত হবে না ভারতের নারীদের। মায়াবতী আরো বলেন, বিজেপি নেত্রীরা তাদের স্বামীকে মোদির আশপাশে দেখলেই আঁতকে ওঠেন। তারা ভয় পান, এই বুঝি মোদি নিজের মতো তাদেরও বিবাহবিচ্ছেদ করে দেবেন।
মায়াবতীর এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির নেতা ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি বলেছেন, মায়াবতী সরকারি পদের জন্য অযোগ্য। জনসমক্ষে বের হওয়ারও যোগ্যতা নেই মায়াবতীর। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের দাবি, মায়াবতীকে ক্ষমা চাইতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক জনসভায় প্রায় প্রতিদিনই মোদিকে আক্রমণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। যিনি নিজের স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়েছেন এবং খোঁজ-খবরই রাখেন না, তিনি দেশ চালাবেন কীভাবে- এই প্রশ্ন তুলেছেন। পাল্টা মোদি-অমিত শাহও স্পিডব্রেকার দিদি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করে তা নিয়ে সরব হয়েছেন। কিন্তু মায়াবতীর ব্যক্তিগত আক্রমণ সব কিছু ছাপিয়ে গেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। খবর:এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
