বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে গৃহবধূর লাশ তার বাবার বাড়িতে পৌঁছলে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
উপজেলার বড়দুলালী গ্রামের ব্যবসায়ী ও নিহতের পিতা শাহ আলম খন্দকার অভিযোগ করেন, দেড় বছর পূর্বে তার মেয়ে ইশিতা আক্তার রানীকে (২২) পার্শ্ববর্তী পশ্চিম বার্থী গ্রামের জব্বার হাওলাদারের পুত্র ও কুয়েত প্রবাসী জুয়েল হাওলাদার সহিদের সাথে সামাজিকভাবে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর রানীর স্বামী সহিদ প্রবাসে চলে যান। এরপর থেকে ওই বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকা সহিদের বোন জামাতা আলমগীর হোসেন গৃহবধূ রানীকে বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তার দিয়ে আসছিল। তিনি আরো অভিযোগ করেন, রানীর দেবর আল-আমিন ও আবুল হাসান হাওলাদারও তার মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের উত্ত্যক্ত করতো। সমপ্রতি তার মেয়ে রানী পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে দুই দেবর ও ননদ জামাতার উত্ত্যক্তের বিষয়টি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কারণে- অকারণে রানীকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল দুই দেবর ও ননদ জামাতা। এক পর্যায়ে রবিবার গভীর রাতে রানীকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে গৃহবধূর বাবা শাহ আলম খন্দকার সোমবার রাতে গৌরনদী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী থানার এসআই ইউসুফ হোসেন জানান, সুরতাহাল রিপোর্টে নিহত গৃহবধূর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
