ক’দিন ধরে যমুনার পানি কমতে শুরু করায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা সদরে আবার শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। সোমবার বিকেলে উপজেলা সদর ঈদগাহ, সোনালী ব্যাংক ও কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক চৌহালী উপজেলা শাখা কার্যালয় যমুনায় বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের উত্তরে চলছে যমুনার তীব্র ভাঙন।
এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা যায়, ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও ইউনুস আলীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে জেলা প্রশাসক কর্তৃক ‘রেড এলার্ট’ জারিকৃত ভাঙ্গনকবলিত উপজেলা সদর এলাকায় পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদ মাষ্টার বলেন, ভাঙ্গনরোধে সরকারের দেয়া বালুর বস্তা সঠিকভাবে ফেলা হয় না। এ ভাঙ্গন তদারকির দায়িত্বে থাকা অফিসার সবাই টাঙ্গাইলের হওয়ায় তারা নিয়মিত আসেন না। তারা উদাসীনের মতো কাজ করছেন। চৌহালী সদরের ‘এমআর ট্রেডার্সের’ স্বত্বাধিকারী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ভাঙ্গন ঠেকাতে সরকারের দেয়া বরাদ্দ সঠিক ব্যবহার হলে আমাদের এ পরিণতি হতো না। চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, উপজেলা সদরে ভাঙ্গন চলছে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। যেকোন সময় উপজেলা সদর যমুনায় চলে যেতে পারে।
