আসন্ন ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন রুটে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে ২৬ জুলাই শুক্রবার থেকে। এরপর টানা ৩০ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে। ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুই আগস্ট থেকে এবং চলবে ছয় আগস্ট পর্যন্ত। ঈদ মৌসুমে রেলওয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭০ হাজার যাত্রী পরিবহনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এ জন্য ঈদের তিন দিন আগে থেকে শুরু হয়ে ঈদের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে বিভিন্ন রুটে মোট সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ইতিমধ্যেই ১২টি নতুন লোকোমটিভ বা রেল ইঞ্জিন সংযোজন করা হয়েছে।
কমলাপুর রেলস্টেশনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী ২৬ জুলাই বিক্রি হবে চার আগস্ট ভ্রমণের টিকিট, ২৭ জুলাই পাওয়া যাবে পাঁচ আগস্টের টিকিট, ২৮ জুলাই বিক্রি হবে ছয় আগস্ট ভ্রমণের টিকিট, ২৯ জুলাই বিক্রি হবে সাত আগস্টের টিকিট এবং ৩০ জুলাই মিলবে আট আগস্ট ভ্রমণের অগ্রিম টিকিট। প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আগাম টিকেট বিক্রি করা হবে। লাইনে দাঁড়িয়ে একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকেট ক্রয় করতে পারবেন কাউন্টার থেকে। এছাড়া ঈদ ফেরত যাত্রীদের জন্য রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশনে দুই আগস্ট থেকে ছয় আগস্ট পর্যন্ত ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। দুই আগস্ট বিক্রি করা হবে ১১ আগস্টের টিকেট। একইভাবে তিন আগস্ট ১২ আগস্টের, চার আগস্ট ১৩ আগস্টের, পাঁচ আগস্ট ১৪ আগস্টের এবং ছয় আগস্ট পাওয়া যাবে ১৫ আগস্টর ভ্রমণের আগাম টিকেট।
বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ট্রেনের পাশাপাশি নিয়মিত ট্রেনগুলোতেও অতিরিক্ত ১৩৫টি বগি সংযোজন করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ঈদের তিন দিন আগে থেকে সব ধরনের মালবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হবে। তিনি জানান, ঈদের অগ্রিম টিকিটের ২৫ শতাংশ বিক্রি করা হবে ই-টিকেটিং পদ্ধতিতে, যা অনলাইনের মাধ্যমে বুকিং দেয়া যাবে। এই পদ্ধতিতেও একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া কমলাপুর রেলস্টেশনে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
