মোবাইল ব্যাংকিং ছড়িয়ে দিতে চাই সারা পৃথিবীতে

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৩, ২১:১৩
ড. শাহাদাত্ খান সিইও, প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেড প্রগতি সিস্টেমস-এর কাজ কী? প্রগতি সিস্টেমস লি. একটি কানাডা-বাংলাদেশ জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি। আমরা মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং পেমেন্ট সার্ভিসের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করি এবং সার্ভিস প্রদান করি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম একাধিক ব্যাংক এবং বেশ কয়েকটি এনজিওকে সাথে নিয়ে একটি সার্বজনীন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে শিওরক্যাশ চালু করেছি। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সম্ভাবনা কতটুকু? মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য বাংলাদেশ একটি দারুণ সম্ভাবনাময় দেশ। প্রথমত এ দেশে রয়েছে একটি বড় জনগোষ্ঠী। বর্তমানে ৮ কোটির ও বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। এ ছাড়াও এখানে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের একটি জাতীয় পরিচায়পত্র আছে যা অনেক দেশেই নেই। আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশে চার থেকে ছয় কোটি মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হবে এবং দেশের লেনদেনের একটা বড় অংশ মোবাইল পেমেন্টের মাধ্যমে করা হবে। সাধারণ মানুষ কেন শিওরক্যাশ সেবা ব্যবহার করবে? শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ টাকা জমা রাখতে পারবে, টাকা পাঠাতে পারবে, কেনাকাটা করতে পারবে এবং ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও সরকারি লেনদেন করতে পারবে। অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তুলনায় শিওরক্যাশ ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং খুবই নিরাপদ । আমাদের সার্ভিস ফি অন্যদের চেয়ে কম। শিওরক্যাশ নিয়ে আপনাদের ভবিষ্যতে পরিকল্পনা কী? আমরা শিওরক্যাশকে বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় সার্ভিস ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা চাই এটা ভিসা কার্ড বা পেপাল সার্ভিসের মত একটি সর্বজনপরিচিত এবং জনপ্রিয় সার্ভিস হবে। আপনার ব্যাক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন। ১৯৯১ সালে আমি বুয়েট থেকে পাশ করে ওখানেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দেই। এরপর ১৯৯২ সালে ক্যানাডা সরকারের কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে চলে যাই কানাডা। ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টোরিয়া থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করে আমি কানাডার সফটওয়্যার কোম্পানি আইবল নেটওয়ার্কে কাজ করা শুরু করি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে আইবলের সিটিও নিযুক্ত হই। ২০১০ সালে আমি সপরিবারে বাংলাদেশে ফিরে আসি। এরপরেই শুরু হয় প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেডের যাত্রা।