ডিপিডিসি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৭
ডিপিডিসি বাসাবো অঞ্চলের সুপারভাইজারদের দৌরাত্বে অসহায় হয়ে পড়েছি আমরা সাধারণ গ্রাহক। মিটারে অতিরিক্ত রিডিং ও নতুন মিটার বসানোর অজুহাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিমাসেই তারা টাকা নিচ্ছে। এ কাজে তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে বিভিন্ন মিটার রিডার। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে মৌখিকভাবে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে উল্টো আমাদেরকেই তাঁরা দোষ দিচ্ছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আমি আমার বাসায় একটি মাদার মিটার ও একটি ডিজটাল মিটার লাগাই। একইসঙ্গে দুটি মিটার স্থাপন করলেও ফেব্রুয়ারিতে মাদার মিটারের কোনো বিল না করে নতুন অন্য যে মিটারটি লাগানো হয় তার বিল করা হয়। মাদার মিটারের বিল করা হয় আরো এক মাস পর। মাদার মিটার বিলের স্থলে পুরনো অ্যানালগ মিটারের একটি বিশাল এস্টিমিট বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া জানুয়ারিতে আমার যে অ্যানালগ মিটারটি খুলে মাদার মিটার লাগানো হয় তার শেষ রিডিং ছিল ২০৭০১। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে সেই খুলে নেওয়া মিটারেই অতিরিক্ত রিডিং (২১৯৯৩) ইউনিট দেখিয়ে প্রায় ১৩শ ইউনিটের একটি এস্টিমিট বিল আমাকে দেওয়া হয়। ব্যবহার না করেও এরকম একটি বিল আসাতে বিষয়টি নিয়ে আমি স্থানীয় সুপারভাইজারের সঙ্গে দেখা করলে বাকবিতন্ডা হয়। পরে বাসাবো ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা বিলিং সেকশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করলে তিনি নানারকম কথা বুঝিয়ে আমাকে বিদায় করেন। অগত্যা বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্নের ভয়ে শেষ পর্যন্ত সেই এস্টিমিট বিলটিই আমাকে পরিশোধ করতে হয়। নতুন মাদার মিটারে আমার বিল করা হয় মার্চ মাসে। ফলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে জমা হওয়া দু’মাসের একটি বড় বিল আমাকে মার্চে পরিশোধ করতে হয়। এদিকে তিলপাপাড়ার স্থানীয় মিটার রিডার বিল বিতরণের সময় আমার স্ত্রীকে হুমকি দিয়ে বলে, আমাদের না জানিয়ে নতুন মিটার লাগানোর ফল এটা। প্রতিমাসেই তিলপাপাড়ায় বাসাবাড়ির নিচে যেসব দোকান আছে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ওই মিটার রিডার নানা অঙ্কের মাসোহারা নিয়ে থাকে। এসব অনিয়ম চোখের সামনে প্রতিনিয়ত হচ্ছে। আমরা অসহায় গ্রাহকরা কিছু করতে পারছি না। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। রায়হান আহমেদ, খিলগাঁও তিলপাপাড়া, ঢাকা ১২১৯