কালো মেঘের পর আলোর দেখা মেলে

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৩, ২২:৪৬
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর মালিক, শ্রমিক, বিজিএমইএ, সরকার, ইইউ, আইএলও ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বন্ধুদেশগুলো একটি কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। যাতে অদূর ভবিষ্যতে রানা প্লাজা বা তাজরীনের মতো দুর্ঘটনা রোধ করা যায়। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদ ও শ্রম সচিব মিকাইল শিপারের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, জিএসপি কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে তিন সচিবের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আবারো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পেতে পারে। গত আট জুলাই জেনেভাতে শ্রমিক অধিকার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আলোচনা হয়েছে। এই চুক্তির অগ্রগতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। এ নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। যুক্তরাষ্ট্র এক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কালো মেঘের পর আলোর দেখা মেলে। আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে এক নম্বর পছন্দের পোশাকের কেন্দ্রে পরিণত করা। যেখানে শ্রমিকদের অধিকার ও ইউনিয়ন করার সুযোগ থাকবে। কারখানার পরিবেশ, ভবন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা উন্নত থাকবে। সংশোধিত শ্রম আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এখনো সংশোধিত আইনটি পড়িনি। তবে আশা করি এ আইনে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয় সনদগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এ বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, আগামী ডিসেম্বরে জিএসপি’র বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা হবে। শুনানির পর জিএসপি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় ঘোষিত কর্ম পরিকল্পনার বিষয়গুলো বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করবে।