জোয়ারে ভাণ্ডারিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৩, ২২:৫৭
নদ-নদীতে পূর্ণিমার জোয়ারের পানি অস্বাভাবিক বেড়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভাণ্ডারিয়া বন্দরের শহর রক্ষাবাঁধ উপচে শহরের বিভিন্ন দোকান-পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করছে। উপজেলার তেলিখালী, হরিণপালা, জুনিয়া, ইকড়ি, ধাওয়া, ভিটাবাড়িয়া, গৌরীপুর, চরখালী, নদমুলা ও ভাণ্ডারিয়া বন্দরের দুই তৃতীয়াংশ রাস্তা-ঘাট, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। অনেক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করছে। চরখালী ফেরিঘাট এলাকার জেলেপল্লী ও ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে পানিতে ডুবে গেছে। বলেশ্বরের কচা নদী তীরবর্তী এলাকার জেলেপাড়াসহ অন্যান্য এলাকার বাসাবাড়ি, ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে। এ দিকে উপজেলার ইকড়ি এলাকায় অনেক সড়কেও ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৭৫০ হেক্টর স্থানীয় ও উফশী জাতের আমন বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি না কমলে এবার আমন বীজের সংকট দেখা দিতে পারে। নিম্নাঞ্চলের অনেক পান বরজের মধ্যে পানি প্রবেশ করে তা নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা মত্স্য বিভাগ বলছে, এই মুহূর্তে তারা বলতে পারছে না ঘের ও পুকুর থেকে কি পরিমাণ মাছ ভেসে গেছে। উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতর খালী গ্রামের বাসিন্দা মো. মহিউদ্দিন জানান পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী। আমন বীজতলাসহ রবিশস্য ক্ষেত তলিয়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মাহবুবুর রশিদ জানান , আমাদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যাচ্ছে না।