আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৩, ২২:৫২
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, আপনাদের যদি সাহস থাকে এবং মানুষের জন্য ভালো কাজ করেছেন বলে আত্মবিশ্বাস থাকে তাহলে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। সেই নির্বাচনে আপনারা জিতলে আমরা অভিনন্দন জানাবো। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে এদেশে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বিকল্পধারা প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দেয়া ইফতার পার্টিতে তিনি একথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, আর কয়েক মাস পর এ সরকারকে বিদায় নিতে হবে। তাই সরকারকে বলব আর বিলম্ব না করে সংবিধান সংশোধন করে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করুন। সবার অংশগ্রহণে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন। তিনি বলেন, দেশে দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজ করছে। মানুষ এখান থেকে মুক্তি চায়। সরকারের উচিত জনগণের দাবি মেনে নেয়া। আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতায় থেকে যেতে চায়। আমি পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। খালেদা জিয়া বলেন, এ সরকার দেশের জন্য কিছুই করেনি। যা করেছে নিজেদের জন্য করেছে। তারা শুধু হত্যা, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি করেছে। এগুলোর জন্য অবশ্যই তাদের একদিন জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। এজন্যই তারা জনগণকে ভয় পায়। বি. চৌধুরী বলেন, দেশ মহাসংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা তুলে দিয়ে এ সরকারই এ সমস্যা তৈরি করেছে। সরকারকে হুঁশিয়ার করতে চাই তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। সরকার যদি এ দাবি না মানে তাহলে তাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ। ইফতার পার্টিতে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক পিয়াস করিম, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ও সেলিমা রহমান, ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী। বিকল্প ধারার নেতাদের মধ্যে ছিলেন মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব মাহি বি. চৌধুরী, ড. নূরুল আমীন ব্যাপারী, মাহবুব আলী, আব্দুল রউফ ও জানে আলম প্রমুখ।