পারিজা ধান চাষ করে খাদ্য ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ১৬:৫২
মিঠাপুকুর উপজেলায় আরডিআরএস বাংলাদেশ উদ্ভাবিত পারিজা ধান চাষ প্রযুক্তির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার উপজেলার শীতলগাড়ী গ্রামে ওই মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। আরডিআরএস বাংলাদেশ’র কর্মসূচি ব্যবস্থাপক (মাঠ সমন্বয়) মেরিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ফিরোয আহমেদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান, আরডিআরএস’র কৃষি কর্মকর্তা শরিফা পাশা, কৃষক মোহাম্মদ হোসেন, হাসান আলী, মোতালেব, কৃষাণী পারভীন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বোরো ও আমনের মাঝামাঝি সময়ে পারিজা ধান চাষ করে স্বল্প সময়ে ঘরে তোলা যায় এবং এই ধান চাষ করে খাদ্য ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। দেশে বছরে ২০ থেকে ২৫ লাখ টন চাউলের ঘাটতি হয়। বোরো ও আমনের মাঝে দেশি পারিজা ধান চাষ করে এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। শীতলগাড়ী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ আলী ৩৩ শতক জমিতে আরডিআরএস’র দেয়া পারিজা ধান বীজ বপন করেছিলেন। উল্লেখ্য, আরডিআরএস বাংলাদেশ দুর্গাপুর ইউনিয়নে ৩২ জন কৃষকের ১৭ একর জমিতে ৩’শ ৫০ কেজি এবং বড় হযরতপুর ইউনিয়নে ৩৪ জন কৃষকের ১৫ একর জমিতে চারা উত্পাদনের জন্য ৩’শ ৫০ কেজি ধানবীজ বিতরণ করা হয়েছিল।