গল্প নয় সত্যি

‘হ্যাপি বার্থডে’ গানের জাদু!

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ১৭:০৫
এই দেশই হোক কিংবা ভিন্ন কোনো দেশ, ছেলেরই জন্মদিন হোক কিংবা বুড়োর-জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা মানেই সেই কেক কাটার চিরসঙ্গী হয়ে থাকা একটি গান ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ’। এতকাল ধরে শুধুমাত্র একটি প্রথা হিসেবেই কদর ছিল এই গানটির। যদিও এবার একদল গবেষক দাবি করেছেন, স্রেফ এই ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ’ গানটির জন্যই নাকি স্বাভাবিক সময়ের চাইতে এই সময়ে কেকের স্বাদ মানুষের কাছে অনেক বেশি বলে অনুভূত হয়। এক্ষেত্রে কেকের গুণগত মানে কোনো ধরনের পরিবর্তন না ঘটলেও স্বাদ বোঝা বা স্বাদের প্রশংসা করার ক্ষমতাটি বেড়ে যায়। আর এ কারণেই গান গাওয়ার পর কেক খেলে সেই কেকের স্বাদ আমাদের মানসিক অবস্থার কারণে বেশি বলে অনুভূত হয়। ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার গবেষকদের করা এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালের চলতি সংখ্যায়। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও স্বাদের বিবর্তন নিয়ে করা এই গবেষণা সম্পর্কে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার সাইকোলজিস্ট ক্যাথলিন ভস বলেন, শুধুমাত্রা দীর্ঘদিন চলে আসা এ ধরনের প্রথাই নয়, বরং মানুষের ব্যক্তিগত অভ্যাস ও কখন, কীভাবে সে খাবারটি গ্রহণ করছে তার ওপরও খাবারের স্বাদ অনেকাংশে নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ কেউ যদি প্রতি শুক্রবার সকালে ডোনাট দিয়ে নাস্তা করার অভ্যাস গড়ে তোলেন তাহলে সপ্তাহের অন্য যেকোনো দিন বা অন্য কোনো স্থানের চাইতে শুক্রবার সকালের ডোনাটটিই তার বেশি মজাদার বলে মনে হবে। একই ভাবে কেউ যদি এসপ্রেসো কফি খাবার সময় এক হাতে চিনির প্যাকেট নিয়ে প্রথমে অল্প চিনি দিয়ে কফির স্বাদ নেন এবং তারপর পুনরায় পর্যাপ্ত চিনি দিয়ে কফি খান, তাহলে তার এ ধরনের অভ্যাসও কফির স্বাদকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে।