শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে পাথর অপসারণ করার সময় রক্ত বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়ে রোগীর কিডনিটাই কেটে ফেলেছেন এক ইন্টার্নি চিকিত্সক। এই ‘আজব’ অপারেশনের ঘটনায় শহরের ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকূট ইউনিয়নের বিদ্যাকূট গ্রামের কৃষক হান্নান মিয়ার স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩০) কিডনিতে পাথর সমস্যায় শহরের দি ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল -এ ভর্তি হন। ওই রাতে তার কিডনি থেকে পাথর সরানোর অপারেশন করেন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক (ইন্টার্নি, রেজি-৩১৮৩৮) ডা. ফোরকান আহমদ। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর থেকে রোগীর তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে থাকে। কয়েক দিন কেটে গেলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রোগীর স্বজনদের চাপাচাপিতে গতকাল শুক্রবার বিকালে ওই চিকিত্সক বলেন, অপারেশনের দিন পাথর অপসারণ করার সময় রক্তপাত বন্ধ করতে না পেরে কিডনি ফেলে দিতে বাধ্য হন তিনি!
রোগীর স্বামী হান্নান মিয়া বলেন, আমার স্ত্রীর কিডনি কেটে ফেললেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন কিছুই জানায়নি কিংবা কাটা কিডনি দেখায়নি। অথচ অস্ত্রোপচারের পর ওই হাসপাতালের লোকজন আমার কাছ থেকে একটি কাগজে সই নিয়ে যায়। রোগীর স্বজনরা দাবি করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই চিকিত্সকের যোগসাজশে হয়তো কিডনি বিক্রি করে দিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজন এবং আলোচিত চিকিত্সককে নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশে বসেছে।
