মহেশখালী উপজেলার বৃহত্তর মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা ইউনিয়ন ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দিন দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ধলঘাটা ইউনিয়নে সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, পশ্চিম পাশের বেড়িবাঁধের ৭টি অংশে ভেঙ্গে গিয়ে সাগরে তলিয়ে যাচ্ছে। জোয়ারের পানি সাগরে একটু বেশি হলে সাগরের পানি এলাকায় ডুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় বলে বানভাসি মোহাম্মদ করিম জানান। ষাটের দশকে পানি উন্নয়ন বোর্ড মাতার বাড়ি এলাকাকে লোনা জল ও জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে রক্ষার জন্য প্রায় ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে। বর্তমানে এই বাঁধের বেহাল দশা। বিশেষ করে পশ্চিম পাশের বেড়িবাঁধ ও রাজঘাট এলাকার বেড়িবাঁধ। দীর্ঘ এক যুগ ধরে বেড়িবাঁধ সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।
এলাকার চেয়ারম্যান এনামুল হক চৌধুরী রুহুল বলেন, দ্বীপটি রক্ষা করতে হলে জরুরিভিত্তিতে চর্তুদিকে ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। লবণ, চিংড়ি ও মত্স্য সম্পদে ভরপুর দ্বীপটি যে কোন মুহূর্তে সাগরে তলিয়ে গিয়ে উপজেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।
