আইনের বাস্তবায়ন না করায় গত সাড়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে অকার্যকর হয়ে আছে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান উপজেলা পরিষদ। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, আইনকে পাস কাটিয়ে যথেচ্ছ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক আদেশ নির্দেশ জারি করে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদেরকে প্রজা আর এমপিদের বানানো হয়েছে মালিক। কার্যত এমপিরা স্থানীয় সরকারের জন্য ‘গোদের উপর বিষ ফোড়া’। এ অবস্থায় স্থানীয় সরকারের বিকাশ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি গণতন্ত্রের অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশন আয়োজিত ‘আইন থাকা সত্ত্বেও নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ অকার্যকর- মর্যাদাহীন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন।
এসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন-অর-রশীদ হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম, হাফিজ উদ্দিন খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অতি: অ্যাটর্নি জেনারেল এম, কে, রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, এডভোকেট এম, এ, বারী, বিএমএ মহাসচিব ডা. ইকবাল আর্সলান প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে এসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, ৪৮১টি উপজেলায় ১ হাজার ৪৪৩ জন চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ ও দাবি পরিলক্ষিত হলেও আজ পর্যন্ত কোন শারমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শারমিনকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
