মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর পরিচিতি
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এই পৃথিবীর প্রায় ৩ ভাগের ২ ভাগ জল দ্বারা আবৃত। পৃথিবীর বেশিরভাগ পণ্য পরিবহনের জন্য সমুদ্রপথ ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশ এই অবস্থার বাইরে নয়। বাংলাদেশের পণ্য অভ্যন্তরীণ পরিবহন এবং বহিঃবিশ্বে আমদানি ও রপ্তানির জন্য ব্যবহার করা হয় এই নদীপথ ও সমুদ্রপথ।
আরব্য রূপকথার নায়ক সিন্দাবাদ থেকে শুরু করে বর্তমান বিশ্বের জাহাজের সুদক্ষ ক্যাপ্টেন ও ইঞ্জিনিয়ার সকলেই এর অন্তর্গত। পৃথিবীজুড়ে স্বীকৃত কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন সমুদ্রের চড়াই-উতরাই পার করেই। বৃটিশ শাসকগণ উপমহাদেশে এসেছিলেন এই জাহাজের মাধ্যমে, যা এখন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্ ও উপযোগী বাহন।
সত্য সর্বসময় একটু ঝাঁজালো ও তিক্ত। পূর্বে সমুদ্রগামী জাহাজে যারা চাকরি করতেন তারা প্রায় সকলেই ছিলেন দুর্ধর্ষ ডাকাত এবং বড় বড় আসামি। দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার জন্য তাদের জাহাজে পাঠানো হতো। এই অবস্থা ছিল আজ থেকে প্রায় ৮০০-১০০০ বছর পূর্বের কথা। কিন্তু আরেকটি সত্য এই যে, কালের বিবর্তনধারা সবকিছুর পরিবর্তন ঘটায়। সেই পরিবর্তন আজকে আমাদের চোখের সামনে।
পৃথিবীর সম্মানযোগ্য চাকরি/পেশার মধ্যে একটি হলো মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, যা পৃথিবীরজুড়ে স্বীকৃত।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার এই যে, পূর্বের কর্তব্যরত ডাকাত ও আসামিদের কর্তব্যস্থল এবং কর্তব্য সবচেয়ে বেশি নিয়মানুবর্তিতা ও আইনের মাধ্যমে পালিত হয়। এই কার্য পরিচালনার জন্য নির্বিঘ্নে কাজ করছে IMO, SOLAS, MARPOL-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
জাহাজ পরিচালনার কাজকে সহজ করার লক্ষ্যে এবং দক্ষ ও পারদর্শী মেরিনার তৈরির লক্ষ্যে উক্ত শিপ ব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
(১) মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং।
(২) নটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
অনুশীলন পাতা সম্পর্কে আপনার
যেকোনো পরামর্শ জিজ্ঞাসা ও মতামত জানাতে
ফোন ০১৭১৪৭০৫৭২৭ অথবা ই- মেইল
[email protected]
