বাগেরহাটে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় আটক ৭

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৬
বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি বাংলালিংকের বিক্রয় প্রতিনিধিকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে মারধর করে নগদ টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় মাইক্রোবাসসহ সাত ছিনতাইকারী পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। শনিবার বিকালে চিতলমারী উপজেলা সদরের স্টিল ব্রীজের কাছ থেকে তাদের গাড়িসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় বাগেরহাট মডেল থানায় মামলা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- মাদারীপুরের খরদি গ্রামের নূরু মিঞা ও শিবচর উপজেলার চন্না গ্রামের লিটন হাওলাদার, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার লখপুর গ্রামের আশরাফ শেখ, খুলনা নগরীর খালিশপুর কোর্ট কলোনী জোড়াগেট এলাকার মুরাদ জমাদ্দার, খুলনার খালিশপুরের জোড়াগেট এলাকার সেলিম শেখ, খুলনার পাবলা এলাকার শমসের হক এবং ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার কৈয়াবাজার গ্রামের মাইক্রোবাস চালক মানিক মোল্লা। শনিবার বিকাল চারটার দিকে বাগেরহাট-খুলনা সড়কের শ্রীঘাট নামকস্থান থেকে ওই সাত ছিনতাইকারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয় দিয়ে মটর সাইকেলে আসা বাংলালিংকের বিক্রয় প্রতিনিধি সন্দ্বীপ হালদারের গতিরোধ করে। পরে তারা ওই মাইক্রোবাস থেকে লাঠিসোঁটা হাতে নেমে মারধর করে তার কাছে থাকা ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে মাইক্রোবাসযোগে বাগেরহাটের দিকে চলে যায়। ব্যাগে কার্ড ও ফ্লেক্সিলোডের পঞ্চাশ হাজারের উপরে নগদ টাকা ছিল বলে জানা যায়। চিতলমারী থানার ওসি মোল্লা মনিরুজ্জামান জানান, শনিবার বিকালে চিতলমারীতে সাত ছিনতাইকারীকে আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই করা নগদ সাড়ে সতের হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, খুলনা ও মাদারীপুরের এই চক্রটি বাগেরহাট, খুলনা ও মাদারীপুরের বিভিন্ন সড়কে ছিনতাই করে আসছে বলে তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। বাগেরহাট মডেল থানার ওসি এরশাদুল কবীর চৌধুরী জানান, রবিবার দুপুরে আটককৃতদের ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।