বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, অর্থনীতির দৌড়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। সমস্ত নৈরাজ্য ছাপিয়ে এদেশ শিগগিরই ভিন্ন এক বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে উঠবে। নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও আমরা অনেক এগিয়ে গেছি।
রবিবার দুপুরে সিলেটে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গভর্নর আরো বলেন, সিলেট অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত জণসাধারণের কল্যাণে ব্যাংকগুলোকে আরো উদ্যোগী হতে হবে। তিনি সিলেট অঞ্চলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রবাহের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কৃষি ব্যাংকের ঋণ বিতরণে বিভিন্ন বক্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. আতিউর বলেন, এটা যদি সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে হবে। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যাংকের সুনাম আর নষ্ট করতে চাই না।
নগরীর নির্ভানা ইনে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাজহারুল হক।
স্কুল ব্যাংকিং কর্মসূচি
এর আগে গত শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্কুল ব্যাংকিং কর্মসূচি গ্রহণের ফলে আঠারোর কম বয়সী স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এখন নিজ উদ্যোগে ব্যাংকে হিসেব খুলতে পারছে।
উল্লেখ্য, স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সুবিধা ও তথ্য-প্রযুক্তিগত ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে পরিচয় ঘটানোর লক্ষ্যে ২০১০ সালের শেষ দিকে দেশে স্কুল ব্যাংকিং চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ ীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, দুই বছরে এ স্কিমের আওতায় অ্যাকাউন্ট খুলেছে এক লাখ ৮৭ হাজার শিক্ষার্থী। এসব হিসেবে সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৪ কোটি টাকা।
