পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামীকাল

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৩, ২২:৩৮
পাকিস্তানে আগামীকাল মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির উত্তরসূরি নির্বাচন করা হবে। এদিকে জারদারির দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সকল কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছে। খবর ডন ও এএফপি’র। ক্রিকেটার ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে গতকাল রবিবার। এর আগে বিরোধী দল পাকিস্তান পিপলস পার্টিও (পিপিপি) প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ প্রথমে ৬ আগস্ট নির্ধারিত হলেও পরে সরকারি দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) আদালতে চ্যালেঞ্জ করে। কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদের বেশিরভাগ সদস্য ওই সময় হজ্ব করতে সৌদি আরব থাকবেন বলে আদালতকে জানায় দলটি। সুপ্রিম কোর্ট পিএমএল-এন’র অনুরোধে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করার পর পিপিপি তাদের প্রার্থী রাজা রব্বানিকে প্রত্যাহার করে নেয়। সংসদে বিরোধী দলের নেতা সৈয়দ খুরশিদ আহমেদ শাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। তাই তাদের পদত্যাগ করা উচিত। উল্লেখ্য, বর্তমান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত) ফখরুদ্দিন জি ইব্রাহিম এবং অন্য কমিশনারদের নিয়োগের সংসদীয় বোর্ডের প্রধান ছিলেন খুরশিদ আহমেদ শাহ। আইনে কোনো সমস্যা না থাকলে নির্বাচনে নওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ (এন)-এর প্রার্থী মামুন হুসাইনের জয় নিশ্চিত হয়ে আছে। নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ২৩ জনের মধ্য থেকে তিনজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করে কমিশন। এদের মধ্যে পিএমএল-এন’র আরেক প্রার্থী ইকবাল জাফর ঝাগরা পরে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। গতকাল পিটিআই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় একমাত্র প্রার্থী থাকলো মামুন হুসাইন। তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং পিএমএল-এন’র দীর্ঘদিনের সদস্য। সিন্ধু প্রদেশের অধিবাসী মামুন নওয়াজ শরীফের ঘনিষ্ঠ মিত্র। পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ এবং চারটি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন প্রেসিডেন্ট।