জোকস

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৩, ১৮:৩৪
 বিদেশ থেকে নানা জাতের উদ্ভিদের পরিচর্যার উপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরেছে করিম সাহেব। দেশে ফিরেই তিনি গেলেন তাদের বাগান বাড়িতে বেড়াতে। কিন্তু বিকেল বেলা বাসার সামনের বাগানে মালির কাজকর্ম দেখেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল তার। তাই মালিকে উদ্দেশ্য করে সে বেশ জোরে জোরেই বলতে লাগল, ‘গাছের গোড়ায় এসব কী সার দিচ্ছ। এতে গোলাপ গাছটাতে ফুল তো ফুটবেই না উল্টো মাস খানেকের মধ্যে গাছটা মারা যাবে। তোমার কাজ দেখে আমি সত্যিই খুব অবাক হচ্ছি!’ ‘স্যার, বাতাবি লেবুর এই গাছে যদি ঠিকঠাক সার দিয়েও গোলাপ ফোটানো যায় তাহলে আমিও ভীষণ অবাক হব!’ উত্তরে জানালো মালি। মা-বাবার সাথে দোকানে আসা বাচ্চারা যেন দোকানের সামনের দিকে রাখা বাবলগাম বা চুইংগাম দেখে বায়না না করতে পারে সেজন্য এক দোকানী তার দোকানের একেবারে সবচেয়ে উঁচুর দিকের তাকে বাবলগাম লুকিয়ে রাখতেন। এই বিষয়টি কী করে যেন টের পেয়ে গেল এলাকার তিন দুষ্টু ছেলে। তাই তারা একদিন স্কুল শেষে ওই দোকানের সামনে যেয়ে হাজির হলো। প্রথম জন দোকানীর দিকে দশ টাকার একটা নোট বাড়িয়ে দিয়ে পাঁচটা বাবলগাম চাইল। দোকানী অনেক কসরত করে টুলের উপর দাঁড়িয়ে পাঁচটি বাবলগাম নামিয়ে যেই না আবার বয়ামটা উপরে তুলে রেখেছেন তখন দ্বিতীয় ছেলেটিও পাঁচটি বাবলগাম চাইল। দোকানীর বুঝতে বাকি রইল না যে এরা তাকে কষ্ট করানোর জন্যই একজন একজন করে বাবলগাম চাইছে আর তাকে উঁচু তাকে ওঠাচ্ছে। তাই দ্বিতীয় ছেলেটির জন্য বাবলগাম আনতে যাওয়ার আগেই তিনি তৃতীয় ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলেন ‘তোমারও কী পাঁচটা বাবলগাম লাগবে না কি?’ উত্তরে না-সূচক জবাব দিল ছেলেটি। অবশেষে দোকানী যখন আরও একবার কষ্ট করে নতুন পাঁচটি বাবলগাম নিয়ে এলেন তখন তৃতীয় ছেলেটি বলল, ‘এবার আমাকে তিনটি বাবলগাম দিন।’ দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে— প্রথম বন্ধু :আচ্ছা হীরার চেয়ে শক্ত কিছু কি আছে? দ্বিতীয় বন্ধু :আছে, হীরার দাম দেওয়ার চেষ্টা করা।