বাবা- মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৩, ১৮:৩৬
আমি নীলফামারী জেলার, ডিমলা উপজেলার মধ্যম সুন্দরখাতা গ্রামের অন্যতম প্রতিষ্ঠান সুন্দরখাতা ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থেকে ২০১২ সালে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছি। আমার এই ফলাফলের পেছনে আমার অক্লান্ত চেষ্টা এবং আমার বাবা- মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। আমি প্রতিদিন সকালে থেকে বিকাল পর্যন্ত নিয়ম মাফিক বাড়িতে এবং স্কুলে পড়ালেখা করেছি। নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত হয়েছি। শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা যা যা বলতে তা আমি মনযোগ দিয়ে শুনতাম এবং নোট করে নিতাম। যে সমস্ত বিষয় বুঝে উঠতে পারিনি সেগুলো স্যারদের কাছ থেকে বুঝে নিতাম। স্কুল ছুটি হওয়ার পর বাড়িতে এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমার এক প্রিয় শিক্ষকের কাছে আমি টানা ২ ঘন্টা বিশেষ ক্লাস করতাম। বিকালে কিছুক্ষণ খেলাধুলা করে সন্ধ্যার সাথে সাথে পড়তে বসতাম, মাঝে কিছুক্ষণ টেলিভিশন দেখতাম। এরপর রাত ১১ টা পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঘুমিয়ে পড়তাম। আমি আমার দৈনিক রুটিন অনুযায়ী মনোযোগ সহকারে পড়ালেখা করেছি বলেই আমি এরুপ ফলাফল করতে পেরেছি। পড়াশোনার কৌশলটা সবার বেলায় এক হয় না। কেউ অনেক সময় ধরে পড়াশোনা করে আবার কেউ অল্প পড়েই ভাল রেজাল্ট করে। মূল কথা পড়াশোনা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমি সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করার চেষ্টা করেছি সর্বদা। ক্লাশে মনোযোগী ছিলাম। ক্লাশ লেকচার মনোযোগ সহকারে শুনতাম। ক্লাশে শিক্ষকের কথার মধ্যে এমন অনেক কথা উচ্চারিত হয় যা সারা জীবনই মনে থাকে। তাই নোট করে রাখতাম প্রয়োজনীয় কথা গুলো। নিয়মিত ক্লাশ করা ভাল রেজাল্টের পূর্বশর্ত। আমার নিকট ইমপোর্টেন্ট বলতে কোন শব্দ ছিল না। পাঠ্যবই , পাঠ্যবই বহির্ভূত বই পড়তাম। আমি সব সময় পড়তাম না। সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাশ হত সেই ছয়দিনই আমি বেশি পড়তাম। অবশিষ্ট দিনটি উত্ফুল্ল চিত্তে কাটাতাম। পড়াশোনায় যদি আনন্দ না থাকে তাহলে শিক্ষার্থী পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।