ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জেল রোডস্থ ল্যাব এইড হাসপাতালে মহিলা রোগীর কিডনির পাথর অপসারণ করতে গিয়ে কিডনি কেটে ফেলার ঘটনায় জেলা জুড়ে তোলপাড় চলছে। এ ব্যাপারে গত রবিবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। জেলা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাঃ আমানুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ডাঃ মোহাম্মদ আলী ও ডাঃ সাইদুর রহমান।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত ১৯ জুলাই ওই হাসপাতালে নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকূট গ্রামের কৃষক হান্নান মিয়ার স্ত্রী হাজেরা বেগমের (৩০) কিডনির পাথর অপসারণ করেন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক ডাঃ ফোরকান আহমদ। ওই চিকিত্সক জানান, পাথর অপসারণ করার সময় রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় রোগীর কিডনি ফেলে দিতে বাধ্য হন তিনি।
রোগীর আত্মীয়-স্বজনের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই চিকিত্সকের যোগসাজশে হয়ত তার স্ত্রীর কিডনি বিক্রি করে দিয়েছেন। শুক্রবার রাতে রোগীর স্বজনদের সাথে চিকিত্সকের আপসরফা হয়। রোগীর স্বজনকে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয়া হয় ও ক্লিনিকের চিকিত্সা ও অস্ত্রোপচারের খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা মওকুফ করা হয়। ঐ রাতেই রোগীকে মাইক্রোবাসযোগে নবীনগর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
