ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের এক লীলাভূমি তুরস্ক। এই দেশটি একমাসব্যাপী দেখার সুযোগ হয়েছে মাহফুজ গাজি’র। সব খরচ বহন করছে তুরস্ক সরকার। এই সুযোগ লুপে নিতে সারাবিশ্ব থেকে ৯৫ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল। সব প্রক্রিয়া শেষে ১১৮টি দেশ থেকে ১ হাজার শিক্ষার্থীর যাওয়ার সুযোগ হয়।
মাহবুব আলম
তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণ পেতে সারাবিশ্ব থেকে ৯৫ হাজার ছাত্রছাত্রী আবেদন করে। সব প্রক্রিয়া শেষে ১১৮টি দেশ থেকে ১ হাজার ছাত্রছাত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হল। সেই আমন্ত্রণে ডাক পেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাহফুজ গাজিও। এমন সুযোগ পেয়ে তুরস্কের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন মাহফুজ গাজি। প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা বিমানভ্রমণ শেষে পৌঁছলেন ইস্তাম্বুলের বিমানবন্দরে।
মাহফুজ গাজি জানালেন, তখন মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের বিশাল বিমানবন্দরটি ছিল বেশ ব্যস্ত। সেখানে নামার পরপর আমাদের সকলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাল তুরস্কের প্রতিনিধিরা। তারপর বিভিন্ন দেশ থেকে আগতদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত পরিচয় হল। তাদের সকলের ভাষা, পোশাক, ধর্ম, চেহারা সবই ভিন্ন। কিন্তু মনে হল আমরা সবাই খুবই কাছের। কয়েকদিনে তাদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। পরেরদিন আমাদেরকে নিয়ে যাওয়া হলো তুরস্কের শহর ইজমিরে। সেখানে একটি ইউনিভার্সিটিতে আমাদেরকে তুরস্কের ভাষা শিখানো হবে।
ইস্তাম্বুলে ১১৮টি দেশ একত্রিত হল। মনে হল সারাবিশ্ব একজায়গায়। এই এক মহামিলন মেলা। ইস্তাম্বুল খুবই ব্যস্ত শহর। ইজমিরের স্নিগ্ধতা বুঝি শেষ হয়ে এল এখানে। ৯ আগস্ট ছিল পতাকা দিবস ও কনসার্ট। সবাই নিজ নিজ দেশের পতাকা নিয়ে হাজির হলাম। আমরাও বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে হাজির। ১১৮টি দেশের পতাকায় এক অন্যরকম পরিবেশের সৃষ্টি হল।
