শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ডেফলাই বেদে পল্লীতে একটি ব্রিজের অভাবে চরম দুর্ভোগে বেদে পল্লীর হাজারো মানুষ। বেদে পল্লীর মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়ায় বেদে পল্লীটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পরেছে। এর ফলে এলাকাবাসিদের পথটি ব্যবহার করতে হচ্ছে একটি অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করে।
জানা গেছে, এই বেদে পল্লীতে শতাধিক পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ বসবাস করেন। এলাকায় নানা সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ব্যাঙখালি ঝুরি। পাহাড়ি একটি ঝুরি বেদে পল্লীর মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়ায় বেদে পল্লীটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পরেছে। ফলে এ পল্লী বাসীদের ঝুরি পার হয়ে যাতায়াতের পাশাপাশি সকল কর্মকাণ্ড করতে হয় তাদের, যার ফলে বেদে পল্লী বাসীন্দাদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। শিশু কিশোরদের ঝুড়া পারাপার নিয়ে হতে হয় নানা বিড়াম্বনার শিকার।
বেদে পল্লীর এক বাসিন্দা রুবেল মিয়াসহ গ্রামবাসীরা জানান, 'এ ঝুড়ার উপর কাঠের সেতু নির্মাণের অজু হাতে প্রায় প্রতি বছরই এডিপির লাখ লাখ টাকার অর্থ হরিলুট করা হচ্ছে। কিন্তু বেদে পল্লী বাসীন্দাদের দূর্ভোগ লাঘব হচ্ছে না। হচ্ছে না স্থায়ী কোনো সমাধান। গত বছর সেতু নির্মাণের অজু হাত দেখিয়ে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হরিলুট করা হয়। এ ব্যাপারে বেদে পল্লীর বাসীন্দাদের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কোনো কাজে আসেনি।'
আরও পড়ুন: ‘ব্যবসায়ের লভ্যাংশ নির্ধারণে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন’
বেদে পল্লীর বাসীদের দুর্ভোগ লাঘবে এ ঝুড়ার উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ খুবই জরুরী। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, 'সংযোগ সড়ক না থাকায় এলজিইডি থেকে ব্রিজ নির্মাণ সম্ভব নয়। ত্রাণ ও পূর্ণবাসণ মন্ত্রণায়ের অর্থায়নে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা যেতে পারে।'
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
