চট্টগ্রামে পিঁয়াজের দাম বেড়েই চলেছে

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৯
জেলার খুচরা ও পাইকারী বাজারে পিঁয়াজের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। রমজান শুরুর আগে খুচরা বাজারে পিঁয়াজের প্রতি কেজির মূল্য ছিল ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা। বর্তমানে সেই পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা। অন্যদিকে দেশের অন্যতম পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জেও পিঁয়াজের বস্তা প্রতি পাইকারি মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। তারা জানান, রমজানের আগে খাতুনগঞ্জে প্রতি বস্তা পিঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টাকা থেকে ২২শ টাকায়। বর্তমানে সেখানে বস্তা প্রতি পিঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে আড়াই হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৮শ টাকায়। খাতুনগঞ্জের পিঁয়াজের আড়তদার মোহাম্মদ জাফর ইত্তেফাককে বলেন, রমজানের শুরু থেকে পিঁয়াজের মূল্য বাড়তে শুরু করেছে। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, ভারত থেকে পিঁয়াজের আমদানি কমেনি। কিন্তু সীমান্ত পার হওয়ার সময় এবং পরিবহন মাধ্যমে সড়কপথে পিঁয়াজ পাইকারি বাজারে আসার পথে নানা ধরনের বাধাবিঘ্নের শিকার হচ্ছে। সড়কে চাঁদাবাজি তেমন না থাকলেও অত্যধিক পরিবহন ব্যয় এবং সড়কের দুরবস্থার কারণে বাজারে পিঁয়াজের চালান আসতে অস্বাভাবিক দেরি হয়। এর ফলে খুচরা পর্যায়ে সরবরাহে কয়েক দফা হাত বদল পিঁয়াজের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে। তিনি জানান, রমজান মাসের আগে খাতুনগঞ্জে ৬০ কেজির এক বস্তায় প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫ টাকা থেকে ১৬ টাকা। সেই পিঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা। বর্তমানে পাইকারী ও খুচরা উভয় বাজারেই পিঁয়াজের মূল্যের নিয়ন্ত্রণ রক্ষা করা যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। বহদ্দারহাট বাজারের খুচরা পিঁয়াজ বিক্রেতা নরেন্দ্র২ জানান, পাইকারি বাজারে পিঁয়াজের অত্যধিক মূল্যের প্রভাব খুচরা বাজারে ব্যাপকভাবে পড়েছে। এদিকে রমজান আসার পর ঠেলাগাড়িতে করে নগরীর সর্বত্র খুচরা পিঁয়াজ বিক্রেতারাও হঠাত্ করে কমে যেতে দেখা গেছে।