কিছু সচেতন ব্যক্তি নারীর উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছেন

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৪
খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদে ডিএনএ আইন উত্থাপিত হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই আইন প্রণয়ন হলে বিদেশ থেকে রিপোর্ট আসার অপেক্ষার অবসান হবে এবং দেশেই আধুনিক পদ্ধতিতে ডিএনএ রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হবে। মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার একটা পাঁয়তারা চলছে। সমাজের কতিপয় সচেতন ব্যক্তি অসচেতনভাবে নারীর উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। জাতিসংঘে সমকামিতার পক্ষে তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু শফী হুজুর যখন নারীকে তেঁতুলের সাথে তুলনা করে সমগ্র নারী সমাজকে কটাক্ষ করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তখন ড. ইউনূস কোন প্রতিবাদ জানাননি। আমরা যাদের শ্রদ্ধা করি তাদের দেশের উন্নয়নে পাশে পাই না এটা শঙ্কার বিষয়। বৃহস্পতিবার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সকালে ‘নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, বর্তমান প্রেক্ষিত:গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সাংবাদিকদের সাথে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এআইএম গোলাম কিবরিয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালক শাহ আলমগীর। নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের তথ্য তুলে ধরে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের পরিচালক কামালউদ্দিন।