রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সমীপে

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৩, ২১:৩৭
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ক্ষতিপূরণের’ ঘরগুলো থেকে কয়েক বছর খাজনা আদায়ের পর লাইসেন্স প্রদান করতেন। কিন্তু হঠাত্ দীর্ঘ কয়েক বছর পর্যন্ত ঐ একসনা ক্ষতিপূরণের ঘরগুলো থেকে খাজনা নেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ ‘ক্ষতিপূরণের’ ঘরের মালিকগণ ঐ ভূমি যথানিয়মে ভোগদখল করে আসছেন। ইদানীং শোনা যাচ্ছে যে, রেল কর্তৃপক্ষ দরপত্রের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান করার বিধি সাব্যস্ত করিয়াছেন। কিন্তু ‘ক্ষতিপূরণের’ ঘরগুলোর ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করেন নাই। ‘ক্ষতিপূরণের’ ঘরগুলো যদিও সম্পূর্ণ অস্থায়ী বলা ছিল, তবু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য করায় অস্থায়ী অনুমতি পরোক্ষভাবে স্থায়ী অনুমতিরই নামান্তর বলা চলে। যদি দরপত্রের আওতায় ঘরগুলোকে আনা হয়, তা হলে দেশে মারাত্মক সংঘর্ষ ও রক্তপাতের সূচনা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় যেসব রেলভূমি জনসাধারণ অনুমতি বা প্রার্থনাক্রমে অথবা ‘ক্ষতিপূরণের’ মাধ্যমে ভোগ দখল করছেন, ঐ ভূমিগুলোকে স্থায়ী বন্দবস্ত বা লাইসেন্স প্রদান করলে তিনটি সুফল পাওয়া যাবে— প্রথমত, সরকার কোটি কোটি টাকা বকেয়া আদায় করতে সমর্থ হবে। দ্বিতীয়ত, জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি খুনাখুনির দেন-দরবার থেকে কর্তৃপক্ষ রেহাই পাবে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রথা বন্ধ হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে আশু পদক্ষেপ নেয়ার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সমীপে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। মুহাম্মদ উল্যাহ, পোস্টঅফিস রোড, চৌমুহনী, নোয়াখালী