নারায়ণগঞ্জে মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা মামলার এক আসামির বাড়িতে বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়েছে র্যাব সদস্যরা। তবে এ সময়ে কাউকে আটক করা হয়নি।
গতকাল দুপুরে শহরের জামতলা এলাকায় জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা হাজী রিপনের বাড়িতে এ অভিযান চলে। ত্বকী হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে হাজী রিপনের বড় ছেলে সালেহ রহমান সীমান্তকে সন্দেহভাজন হিসাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গতকালের অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১ এর সদর দপ্তরের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম।
র্যাব-১১ এর স্পেশাল ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানির এএসপি রবিউল ইসলাম জানান, আদালতে এক আসামির দেয়া জবানবন্দির প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে আসা খবরের পর হাজী রিপনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এর আগে ত্বকী হত্যার ব্যাপারে সন্দেহভাজন হিসাবে গ্রেফতার ইউসুফ হোসেন লিটন সোমবার আদালতে দেয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা হাজী রিপনের বাড়িতে ত্বকীকে আটকে রেখে মারধর নির্যাতনের পর গলা টিপে তাকে হত্যা করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি নাসিম ওসমানের একমাত্র ছেলে আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্টজন ভ্রমরের গাড়িতে করে ত্বকীর লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে নিয়ে ফেলে দেয়া হয়। পুরো ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ৫ জন। গত ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধারের পর সেদিন রাতেই ত্বকীর বাবা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
