লামায় খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচি

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৩, ১৭:১৬
লামায় জীবিকায়ন পুনরুদ্ধার ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের উপকারভোগীদের মাঝে অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। গত শুক্রবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান বীর বাহাদুর উশৈচিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। গত বছরের বন্যায় সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত আড়াই হাজার পরিবারের লোকজনের জীবিকায়ন পুনরুদ্ধারে ডিএফআইডি’র অর্থায়নে কনসার্ন ইউনিভার্সেল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এনজেড একতা মহিলা সমিতি বান্দরবান জেলায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। লামা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একতা মহিলা সমিতির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফয়েজ আহম্মদ, লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হেলাল উদ্দিন ও লামা পৌরসভার মেয়র মোঃ আমির হোসেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেয়ার বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুর রহিম, গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু মারমা ও কনসার্ন ইউনিভার্সেল বাংলাদেশের সহকারি প্রোগ্রাম ম্যানেজার বাবু সুনীল জীবন চাকমা। প্রকল্পের আওতায় প্রতি উপকারভোগী পরিবারকে ১০ হাজার টাকা হারে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে। বান্দরবানের লামা, আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি স্থানীয় কৃষি উত্পাদন এবং বাড়ি ভিত্তিক গবাদি পশু পালন কর্মসূচিকে তরান্বিত করবে। স্থানীয় সাংস্কৃতিকে ধারণ করে বিশেষ করে গ্রামীণ মহিলাদের বাড়ি ভিত্তিক উত্পাদনে এবং বাগানে সবজী চাষে সম্পৃক্ত করে পরিবারের জন্য বর্ধিত আয়ের ব্যবস্থা করবে। সর্বপরি উপকারভোগীরা তাদের জীবিকায়ন ও খাদ্যের সংস্থান করতে পারবে। যা তারা বন্যা পূর্ববর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে করতেন।