গভীর জঙ্গলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বিড়াল এসে জড়ো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিড়াল লড়াই প্রতিযোগিতা হবে সেখানে। একসময় লড়াই শুরু হয়েও গেল। আর সবশেষে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেরা বিড়ালের পুরস্কারটি জিতে নিল ইথিওপিয়ার একটা বিড়াল। এতে অন্য সব বিড়ালই ভারী অবাক হলো। প্রতিযোগিতা শেষে তারা ইথিওপিয়ার বিড়ালটিকে ঘিরে ধরে জানতে চাইল, ‘ভারী অদ্ভুত বিষয় তো? এত অভাব অনটনের দেশে থেকেও তোমার এত শক্তি আর বল কেমন করে হলো বলতো?’
‘আমি তো আসলে বিড়াল না, আমি বাঘ! তবে না খেতে খেতে এখন বিড়ালের মতো হয়ে গেছি।’ - উত্তর দিল ইথিওপিয়ার হয়ে লড়াইয়ে নামা বিড়ালটি!
স্কুল থেকে ফিরে বিল্টু তার মাকে বলল
:মা, ভেবে দেখলাম আর অন্তত দেড় দু’শ বছর আগে জন্মালে খুব ভালো হতো।
:কেন? হঠাত্ এমনটা মনে হলো কেন?
:না মানে, তাহলে এতো এতো ইতিহাস শুনতে আর মুখস্থ করতে হতো না। আবার অংক কিংবা বিজ্ঞানের এত শত থিওরিও আবিষ্কার হতো না বলে আমাকে শিখতে হতো না!
বাসের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে এক ছ্যাঁকা খাওয়া প্রেমিকের সঙ্গে এক কবির খুব আড্ডা জমে গেল। একপর্যায়ে হতাশ প্রেমিক বললেন—
হতাশ প্রেমিক :আচ্ছা বলুন তো তাজমহল কী?
কবি :বা রে, এটাতো সবাই জানে। এটা হলো ভালোবাসার এক অনন্য প্রতিদান।
হতাশ প্রেমিক :মানতে পারলাম না।
কবি :তাহলে?
হতাশ প্রেমিক :এটা হলো, এ যাবতকালে কোনো নারীর জন্য দেওয়া একজন পুরুষের সর্বোচ্চ খেসারত।
