স্পোর্টস রিপোর্টার
নারী জাতীয় হকি, যুব গেমস, প্রতিভা বাছাই, সব মিলিয়ে এই সব আসরে যারা মহিলা হকি খেলেছেন সেখান থেকে বাছাই করা খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিল ক্রীড়া পরিদফতর। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের আগের কমিটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে গেছে। সেই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি মাঝে বিরতি ছিল। গতকাল পুনরায় শুরু হয়েছে প্রশিক্ষণ।
আপাতত ক্রীড়া পরিদফতরের অধীনেই চলবে। ঈদের পর সেটি বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের অধীনে চলে যাবে। ক্রীড়া পরিদফতরের কর্মকর্তা এবং নারী হকি দলের কোচ তারিকুজ্জামান নান্নু জানিয়েছেন এখন ক্রীড়া পরিদফতরের অধীনে চলছে পরে এটি ফেডারেশনের কাছে চলে যাবে। এখন হকি ফেডারেশন মাঠ ও আবাসিক সুবিধা দিয়ে সহযোগিতা করছে।’
৫০ জন নারী প্রশিক্ষণে থাকবেন। এদের মধ্য হতে কয়েক দফায় বাছাই করে একটি ভালো দল গড়া হবে। সেই দলটি সিঙ্গাপুর যাবে আন্তর্জাতিক হকি টুর্নামেন্ট। ৯-১৫ সেপ্টেম্বরে এএইচএফ হকি অনূর্ধ্ব-২১ বাছাই টুর্নামেন্টে খেলতে যাবে।
আগে হ্যান্ডবল, বাস্কেটবল খেলতেন শারীরিক উচ্চতা ভালো কিন্তু সেই দুুটি খেলা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন তিন বছর আগে হকি খেলতে শুরু করেছেন ফারদিয়া আক্তার রাত্রি। সংবাদ মাধ্যমকে বললেন, ‘আমরা প্রথমবার জাতীয় অনুশীলনে এসেছি। এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো। দেশের বাইরে খেলতে যাব। স্বপ্নের মতো লাগছে। ফুটবল ক্রিকেটে ভালো করছে আমার কাছে মনে হচ্ছে হকিতে ভালো কিছু হবে।’ কোচ হেদায়েত হোসেন রাজিব বললেন, ‘মূলত অনূর্ধ্ব-২১ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে আমরা এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছি। ক্রীড়া পরিদপ্তরের এই উদ্যোগ এটা। ফেডারেশনের অধীনে এখন এটা হবে। গত দুই বছর ধরে বেশির ভাগ মেয়েদের নিয়ে কাজ করছি। বেশিরভাগ ১৪ বছর থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েরা হয়েছেন। এখান থেকে ফাইনাল স্টেজে দুটি দল রাখার চেষ্টা করব। কারণ আমাদের প্রস্তুতি ম্যাচ এক সঙ্গে খেলাব। চূড়ান্ত বাছাই শেষে ৩০ জন থাকবে। হকি ফেডারেশনের সহসভাপতি আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন নারী হকি করা যায় কিনা আমরা চেষ্টা করছি। তবে মেয়েদের প্রশিক্ষণ সারা বছর রাখার চেষ্টা করব।’ ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ বললেন, ‘সংগঠকরা যদি ক্লাবের সত্যিকারের সংগঠক হয়ে থাকি এবং আমাদের দায়িত্ববোধ থাকলে আর্থিক স্বচ্ছলতা আসবে না কেন।’
