বিক্ষোভের ডাক মুরসিপন্থীদের

মিসরের সেনাবাহিনী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৩, ২২:৩৮
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, মিসরে সেনাবাহিনী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছে। তারা এখনো ক্ষমতা নেয়নি। গত ৩ জুলাই প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করার পর এই প্রথম দেশটির সেনাবাহিনী নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কেরির এই মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম ব্রাদারহুড। এদিকে গতকাল শুক্রবার বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলটি। খবর বিবিসি, এএফপি ও এনডিটিভি’র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেন, জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট মুরসির অপসারণ লাখ লাখ মানুষের অনুরোধেই হয়েছে। কেরি বলেন, সামরিক বাহিনীকে লাখ লাখ মানুষ হস্তক্ষেপের আহ্বান জানায়। তারা পরিস্থিতি অরাজকতা ও সহিংসতার দিকে গড়াতে পারে বলে আশংকা করেছিল। তিনি বলেন, আমাদের বিবেচনায় সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত ক্ষমতা নেয়নি। দেশ চালানোর জন্য একটি বেসামরিক সরকার রয়েছে। কার্যত তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করছে। ব্রাদারহুডের মুখপাত্র জিহাদ আল হাদাদ বলেন, সেনাবাহিনীর কাজ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী কি এই কাজটি করতে পারবে? গতকাল সকাল থেকেই মুরসি সমর্থকরা রাবা আল-আদাইয়া মসজিদে অবস্থান নিতে শুরু করে। তাদের অনেককে হেলমেট পরতে দেখা যায়। নাহদা স্কয়ারেও অনেককে সমবেত হতে দেখা গেছে। মুরসি সমর্থকরা এর আগে দ্রুত কায়রোর প্রতিবাদ শিবির ত্যাগ করার বিনিময়ে নিরাপদ প্রস্থান এর একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাবা আল-আদাবিয়া ও নাহদা স্কয়ারে অবস্থানরতদের যুক্তি ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানায়। মন্ত্রণালয় এ আহ্বানে সাড়া দিলে তাদের নিরাপদ প্রস্থান ও পূর্ণ নিরাপত্তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, তারা অচিরেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেবে।