সৈয়দপুরে তৈরি ওয়ানটাইম প্লেট গ্লাস ও বক্সের কদর বাড়ছে

আপডেট : ১৪ মে ২০১৯, ২১:৫৪

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

বিয়ে বাড়ি উত্সবে খাওয়ার জন্য চাই প্লেট, খাদ্য বহনে চাই বক্স। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ঝামেলা এড়াতে ওয়ানটাইম প্লেট ও বক্সের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীতে গড়ে ওঠেছে হাইজানিক কেয়ার প্রডাক্ট ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। সেখানকার তৈরি ওয়ানটাইম প্লেট গ্লাস ও বক্স বাজার মাত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। নোয়াহ্ রয়েলেক্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রির পণ্য নোয়াহ্ প্রেসার কুকার, ফ্রাইপ্যান, গ্যাসের চুলা দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানে পাঠানো হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের সহযোীগ প্রতিষ্ঠান হাইজানিক কেয়ার প্রডাক্ট ইন্ডাস্ট্রিজ।

এ প্রতিষ্ঠানটি গত ১৯ মার্চ থেকে ওয়ানটাইম প্লেট ও বক্স তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন গড়ে  ৬০ থেকে ৭০ হাজার প্লেট ও বক্স তৈরি করে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।  প্রতিষ্ঠানের মালিক রাজকুমার পোদ্দার জানান, এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে ওয়ানটাইম প্লেট ও বক্স এবং গ্লাস তৈরির মেশিনপত্র চায়না থেকে আমদানি করা হয়। এতে প্রায় ১৯ কোটি খরচ পড়ে। সেখান থেকে কয়েকজন বিদেশি এক্সপার্ট এসে মেশিনপত্র পরিচালনার কলাকৌশল শিখিয়েছেন এবং তারা এখনও রয়েছে। তিনি বলেন, এসব তৈরির কাঁচামাল জিপিপিএইচ ভারত থেকে আমদানি করে আনতে হয়। ফলে পণ্য উত্পাদনে খরচ বাড়ছে। তবুও চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রতিপিস প্লেট ও বক্স এক টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে পাইকারদের কাছে। খুচরা দোকানিরা এসব আড়াই টাকা থেকে ৩ টাকায় বিক্রি করে থাকেন।

রাজকুমার পোদ্দার আরো বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরের মধ্যবর্তী স্থানে সৈয়দপুরে কারখানাটি অবস্থানের কারণে অতিদ্রুত এর উত্পাদিত পণ্য সামগ্রী বাজার দখল করে নেয়। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় এবং লোডশেডিংসহ নানা সমস্যার কারণে উত্পাদনে মাঝেমধ্যে বিঘ্ন ঘটে কারখানায়।