মধুখালীর ঐতিহাসিক মথুরাপুরের দেউল

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:০৩
মধুখালী পৌরসভা শহর থেকে প্রায় ২ কি.মি. উত্তরে গাজনা ইউনিয়নে অবস্থিত মথুরাপুরের দেউল। একটি প্রাচীন স্থাপত্যকলা এটি কি এবং কেন? কখন ও কি উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছিল তা জানবার কৌতূহল এলাকাবাসীসহ দেশ-বিদেশের অনেকেরই রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত্। কৌতূহল মেটানোর মতো গ্রহণযোগ্য তথ্য এ যাবত্ কেউই দিতে পারেনি। মধুখালী-রাজবাড়ী ফিডার সড়ক ও চন্দনা নদীর পূর্ব পাড়ে মধুখালীতে অবস্থিত ফরিদপুর চিনিকলের কয়েক’শ গজ উত্তরে মথুরাপুর গ্রামে কালের নিরব সাক্ষী শত শত বছর আগের পুরাকীর্তি বা স্থাপত্যশিল্প মথুরাপুরের দেউল। প্রায় ৭০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট এই দেউল প্রত্নতত্ত্ব ও যাদুঘরের অধীন। এর শৈলী ও শৈল্পিক কাজ দেখলে চমত্কৃত হতে হয়। পোড়ামাটির তৈরি পাথর আকৃতির শিলাখন্ডগুলি এমনভাবে গাঁথা হয়েছে যে, কিভাবে কোথা থেকে শুরু হয়েছে তা বুঝা খুবই দুরূহ। দেউলের সারা শরীর জুড়ে যে সমস্ত শিলাখন্ডের ছাপচিত্র, মাটির ফলকে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট মূর্তি যা দর্শনার্থীদের মনোজগেক নাড়া দেয়। কৌতূহলকে দেয় উসকে। সে সব ছাপচিত্র মূর্তিফলক হল কোন নারী কাউকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, হনুমান কোন উত্সবে মাতোয়ারা , রণসাজে তীর-ধনুক হাতে হনুমান, সিংহের মত মুখ অথচ মানুষের মত হাত এমন প্রাণী। নৃত্যরত নগ্ন নর-নারী, পেঁচা জাতীয় পাখি, মস্তকবিহীন মানুষের আকৃতি, দ্রুত বেগ সম্পন্ন ঘোড়া, মন্দিরে প্রার্থনারত হনুমান, কিছু ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত গাছ ইত্যাদি।