বর্ষা এলেই কদর বাড়ে ডিঙ্গি নৌকার

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:০৫
চলছে বর্ষাকাল। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে খাল-বিল, নদী-নালা। আর তাই নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষের চলাচলে এই সময়ে নৌকার গুরুত্ব অপরিসীম। পানি প্লাবিত এসব এলাকায় যাতায়াত ও কৃষিপণ্য বহনে নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা। ফলে বিভিন্ন এলাকায় বসছে ডিঙ্গি নৌকার বিক্রির হাঁট। পাশাপাশি নৌকার তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা। রাতদিন পরিশ্রম করে তৈরি করছেন ছোট-বড় নৌকা। স্থানীয়ভাবে এগুলো ডিঙ্গি নৌকা নামে পরিচিত।পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ আর মধুমতি বেষ্টিত ফরিদপুর জেলার নিচু ভূমি বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত হয়ে পড়ায় চলাচলের একমাত্র বাহন হিসেবে স্থান পায় নৌকা। আর তাই এ মৌসুমে নৌকা তৈরি ও ক্রয়-বিক্রয়ের কার্যক্রমকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে অনেকের জীবন ও জীবিকা। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালীগ্রামের কাঠমিস্ত্রীরা দিনের সবটুকুই ব্যয় করছেন নৌকা তৈরির কাজে। ঘামঝরা পরিশ্রম করে দিনে একটি নৌকা তৈরি করতে পারছেন। প্রতিটি নৌকা তৈরি করে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন ৫শ’ টাকা। ডিঙ্গি নোকার কারিগরেরা জানালেন এসব নৌকা তৈরি করতে ব্যবহার করা হচ্ছে উড়িআম, রেইন্ট্রি ও চম্বল গাছের কাঠ। বর্তমানে প্রতিটি নৌকা বিক্রি হচ্ছে ২৫শ’ থেকে ৪ হাজার টাকায়। লাভ থাকছে ৪ থেকে ৫শ’ টাকা। মালীগ্রামে নৌকা তৈরির ১৫টি কারখানা রয়েছে। মৌসুমের তিন মাস চলবে নৌকা তৈরির কাজ। এখান থেকে প্রস্তুত হওয়া নৌকা চলে যাচ্ছে আশপাশের বিভিন্ন হাটে। সেখান থেকেই ক্রেতারা তাদের পছন্দমত নৌকা কিনে নিচ্ছেন।