চলচ্চিত্র-ইতিহাস চর্চার চরাচরে জাতীয় চলচ্চিত্রের ধারণাকেই অধিক চড়ে বেড়াতে দেখা যায়। কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র কী রকম চলচ্চিত্র? আর কিসের জোরেই বা ‘জাতীয়’ ধারণার সঙ্গে ‘চলচ্চিত্র’ ধারণার যোগ ঘটে? অন্যদের সঙ্গে ভেদাভেদটাই বা গড়ে ওঠে কী করে? তাছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র কি কেবল জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস অথবা ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা নির্ধারিত, না এর সঙ্গে জারিত হয় সংস্কৃতি ও রাজনীতি? বর্তমান উত্পাদন ব্যবস্থায় জাতীয় চলচ্চিত্রের রূপ কি একই রকম? এসব প্রশ্নেরই জবাব, বলা ভালো প্রাথমিক জবাব খোঁজার চেষ্টা হয়েছে বর্তমান প্রবন্ধে।
সাদামাটা চোখে রাষ্ট্র ও জাতিকে এক করে দেখে ওই দেশের চলচ্চিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র বলা চলে। এখানে বিপত্তি আছে। ওই নির্দিষ্ট দেশের সব চলচ্চিত্রই কি প্রতিনিধিত্ব করে—জাতীয় চলচ্চিত্রের? যেমন—ভারতের সকল চলচ্চিত্র কি ভারতের জাতীয়তার প্রতিনিধিত্ব করে? যেমনটা করেছিল সত্যজিতের ‘পথের পাঁচালী’? সত্যজিত্ নিজে বাঙালি, ‘পথের পাঁচালী’র প্রেক্ষাপটও গ্রামবাংলা, অতএব চলচ্চিত্রটি ভারতীয় বাঙালি জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু সর্বভারতীয় ধারণাকে ধারণ করে—এমন ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পাওয়া কঠিন। পশ্চিমারা হয়তো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্রের উদাহরণ হিসেবে মীরা নায়ারের ‘সালাম বোম্বে’র কথা বলবেন। কিন্তু সেখানে কি ভারতীয় বাঙালি বা ভারতীয় গুজরাটি সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটেছে? সেই চলচ্চিত্র তো মুম্বাই শহরের অন্ধকার দিককার গল্প। তাহলে বোঝা যাচ্ছে, শুদ্ধ মানচিত্র দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্রের গণ্ডি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাহলে কি ভৌগলিক অবস্থান ও সংস্কৃতি দিয়ে? সেক্ষেত্রেও কমতি রয়ে যায়। লাতিন আমেরিকার চলচ্চিত্র তো কেবল ওই দুই নির্দেশক দিয়ে বাঁধা পড়বে না, সেখানে যোগ করতে হবে রাজনীতি। কারণ রাজনৈতিক চেতনা—সাম্রাজ্যবাদ, বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিপক্ষে লড়াই-সংগ্রামের সঙ্গে সংস্কৃতি ও ভূখণ্ডকে মিলিয়ে তৈরি হয় তাদের চলচ্চিত্র। সুতরাং জাতীয় চলচ্চিত্র শুধু জাতিসত্তার ব্যাপার নয়, শুধু রাষ্ট্র, শুধু রাজনীতি ও শুধু সংস্কৃতিরও ব্যাপার নয়। সবটা মিলিয়েই তৈরি হয় জাতীয় চলচ্চিত্রের ধারণা। সেখানে যেমন হাজির থাকে জাতীয়তাবোধ তেমনি হাজির থাকে ‘আপন’ ও ‘পরের’ ধারণা কিংবা বলতে পারেন ‘পরভীতি’; ইংরাজিতে বললে Xenophobia। এই পরভীতি ও জাতীয় চলচ্চিত্রের পেছনে নিশ্চিত হয়ে লুকিয়ে আছে ক্ষমতাশালী ও আধিপত্যকামী চলচ্চিত্র কারখানার নাম। ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য পরভীতি যদি হয় হলিউড, তো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের পরভীতি হলো বলিউড। অবশ্য বাংলাদেশে যদি সত্যিকার অর্থে জাতীয় চলচ্চিত্র গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি হয় তবেই ওই পরভীতি প্রকট আকারে দেখা যাবে। নয় তো যেভাবে বাংলাদেশে মূলধারার চলচ্চিত্র ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের আগ্রাসনের শিকার, তাতে মুনাফাখোরদের অত ভয়ের কারণ নেই। কারণ নকল করে এই বাজারেও দিব্বি চলছে তাদের। তবে ইদানীং ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো সেই মুনাফাও পুরাপুরি বরবাদ করার পথে।
হলিউড বাংলাদেশের জন্য হুমকি নয় নানা কারণেই। প্রথম কারণ অর্থ ও বাজার। সেটা থাকলে প্রযুক্তি আমদানি হয়ে যেত। ভারতে যেমনটা হচ্ছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পরের কারণগুলো এখানে আর না-ই বললাম। অবশ্য অর্থ ও বাজার থাকায় ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াতে হলিউডকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা চোখে পড়ে, চীনও কম যায় না। আজকের পৃথিবীতে দেশে দেশে গড়ে ওঠা চলচ্চিত্রশিল্পের দিকে তাকালে যেটা চোখে পড়ে তা হলো ‘হলিউড হানা’। হয় এই দানোর সঙ্গে লড়াই করো, নয় তার খাদ্য হয়ে যাও। দুনিয়া জুড়ে যে আধিপত্য বিস্তার করেছে মার্কিন চলচ্চিত্র তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রেক্ষাগৃহ তো বটেই, বৈঠকখানাও দখল করে নিয়েছে হলিউড।
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বে সিংহ ও শিয়াল উভয়ই। মানে তত্ত্বের ভাষায় যথাক্রমে বলতে পারেন জোরজবরদস্তির আধিপত্য (Coercive Hegemony) ও সমঝোতার আধিপত্য (Consent Hegemony), দুটোই বিস্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্র, নামান্তরে হলিউড। দুনিয়ার কোথাও তার বাজার দখল গায়ের জোরে, কোথাও আবার মাথায় হাত বুলিয়ে। কিন্তু বাজার হাতের মুঠিতে থাকা চাই এবং সেটা আছেও। কোথাও কোথাও দখলের চেষ্টা রয়েছে অব্যাহত। দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বমোড়ল হওয়ায়, এর বিশেষ সুবিধা যে হলিউড পাবে সেটাই স্বাভাবিক। এ সম্পর্কে ক্রফটস উদ্ধার করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা লুই বুনুয়েলের উক্তি। বুনুয়েল বলছেন, আমেরিকার তথা মার্কিন সংস্কৃতির দাপট ও প্রভাব না থাকলে স্টেইনবেক, ডস পাসোস কিংবা হেমিংওয়ে হয়তো অচেনাই থেকে যেতেন। তাঁদের জন্ম যদি প্যারাগুয়ে অথবা তুরস্কে হতো, আন্তর্জাতিক খ্যাতি অধরাই থেকে যেত। অতএব, বুনুয়েল বলছেন, বিষয়টা খুব গুরুতর যে লেখকের মাহাত্ম্য তাঁর দেশের ক্ষমতার সঙ্গে সমানুপাতিক। যেমন গালদস, তাঁকে দস্তয়ভস্কির সাথে তুলনা করা হলেও স্পেনের বাইরে কজন তাকে পড়েছে? বুনুয়েলের বাণী মেনে বলতে হয়, হলিউড কি আজকের হলিউড হয়ে উঠতে পারত, যদি না এটি যুক্তরাষ্ট্রের কারখানা হতো?
দুই
জাতীয় চলচ্চিত্রের আলোচনায় উন্নত বিশ্বের কারখানাকে, বা বলা ভালো হলিউডকে বৃত্তের কেন্দ্রে স্থাপন এরপর তুলনা করাকে বলা যেতে পারে নিজের বা অপরের মূল বিরোধাভাস (Master Antinomy)। এই তুলনাকে বা গণ্ডি টানাকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, বুনুয়েলের পর্যবেক্ষণকে মাথায় রেখে বলা যায়, নিজেকে অপরের থেকে আলাদা করতে একটা রেখাচিত্রের প্রয়োজন হয়, একটা আলাদা মানচিত্রের প্রয়োজন হয়। ভৌগলিকভাবে মানচিত্র থাকলেই একটি জাতীয় চলচ্চিত্র অপরটি থেকে আলাদা হয়ে যায় না। কারণ চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরুর পর যত সময় গড়িয়েছে ততই জটিল হয়েছে জাতিরাষ্ট্র ভিত্তিক চলচ্চিত্র বা জাতীয় চলচ্চিত্রের ধারণা। নিখাদ কোনো জাতীয় চলচ্চিত্র বোধহয় এখনকার দুনিয়ায় আর পাওয়া যাবে না। একেবারেই নিখাদ ভারতীয় ও বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিত্ রায়ের কাজে কি ইতালীয় চলচ্চিত্রের ছাপ নেই? কিংবা আকিরা কুরোসাওয়া কি ব্রিটিশ লেখক শেক্সপিয়ারের দ্বারস্থ হন নাই? ক্যামেরা কৌশল অথবা সম্পাদনারীতির কথা না হয় বাদই দিলাম। তারপরও, মিথষ্ক্রিয়া সত্ত্বেও, স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে বলেই আফ্রিকা কিংবা লাতিন আমেরিকার গুচ্ছ গুচ্ছ চলচ্চিত্রকে ওই অঞ্চলের জাতীয় চলচ্চিত্র হিসেবেই মর্যাদা দেওয়া হয়। এর পেছনে মতাদর্শিক বিষয়টা যেমন কাজ করে তেমনি সক্রিয় থাকে—যে কোনো কাহিনীকে আপন অঞ্চলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ রেখে বয়ান করা, এমনকি চলচ্চিত্রের মিজোঁসিন ও প্রপসের সচেতন ব্যবহার।
চলচ্চিত্রে নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর নিশানা উড়াতে হলে, আপন ও পরের বিষয়টা স্পষ্ট থাকা জরুরি, ভেদরেখা পরিষ্কার দেখতে না পেলে নির্মিত চলচ্চিত্র নকলের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে যেতে পারে। ভাবাদর্শের জমিন পোক্ত না হলে সেই চলচ্চিত্র কোথাও না-ও দাঁড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে চলচ্চিত্রকারকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয় ইতিহাস ও রাজনীতি সম্পর্কে। অবশ্য খোদ সময়ও চলচ্চিত্রকারকে সচেতন করে দিতে পারে। যেমন—স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন জহির রায়হানকে দিয়ে তৈরি করিয়ে নিয়েছিল ‘জীবন থেকে নেয়া’। সময়ের দাবি মেটাতে রায়হানের মতো অনেকেই হয়ে ওঠেন কালোত্তীর্ণ স্রষ্টা।
জাতীয় চলচ্চিত্র বা জাতিরাষ্ট্র ভিত্তিক চলচ্চিত্র ঐতিহাসিকভাবেই বিভিন্ন আন্দোলনের সঙ্গে সঙ্গে একটা নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য অর্জন করে। এবং এই কারণেই চলচ্চিত্রের ইতিহাস চর্চায় প্রায়ই দেখা যায়, জাতীয় চলচ্চিত্রের সঙ্গে চলচ্চিত্র আন্দোলন মিলেমিশে যাচ্ছে। জাতীয় নবজাগরণের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে, আন্দোলিত হয়ে যেসব জাতিরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নতুন মোড় নিয়েছে বা জাতীয় চলচ্চিত্রের তকমাকে আরও পোক্ত করেছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা যায় ইতালির নয়া বাস্তববাদী চলচ্চিত্র, লাতিন আমেরিকার তৃতীয় চলচ্চিত্র অথবা পঞ্চম প্রজন্মের চীনা চলচ্চিত্রের কথা। অতএব সময়ের দাবি মেনে যাঁরা সফলভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পেরেছেন এবং অবশ্যই অপরের সঙ্গে, বলতে পারেন পরম সেই অপর যদি হয় হলিউড, সেই পরমের সঙ্গে স্পষ্ট ভেদ রেখে যারা আপনকে তুলে ধরতে পেরেছেন, তাঁরাই উজ্জ্বল হয়েছেন ইতিহাসে।
জাতীয় চলচ্চিত্র বিচারে কেবল নির্মাণ প্রক্রিয়া বা কৌশল, সেটার পেছনে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করাই যথেষ্ট নয়, অস্ট্রেলিয়ার চলচ্চিত্র পণ্ডিত ক্রফটস মনে করেন, জাতীয় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে বিপণন, প্রদর্শন ও উত্পাদন ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি ভিন্ন এক প্রবন্ধে, নাম ‘Concepts of National Cinema’, উত্পাদন ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে আট ধরনের জাতীয় চলচ্চিত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। সেই আট রকম চলচ্চিত্র তিনি ফেলেন চার রকম অর্থ যোগানদার (আনুভূমিক অক্ষ) ও তিন রকম উদ্দেশ্যের (উল্লম্ব অক্ষ) টানাপোড়েনে।
জাতীয় চলচ্চিত্রের এই যে রকমফের, বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তাকে উল্টেপাল্টে দেখার প্রয়াস সেটা শুরু হয়েছে বেশিদিন আগে নয়, এই সত্তরের কিংবা বড়জোর ষাটের দশক থেকে। আজ একবিংশ শতাব্দীর দুই নম্বর দশকে সেই জাতীয় চলচ্চিত্রের চরিত্র কিন্তু আর আগের মতো থাকছে না। পাল্টে যাচ্ছে দ্রুত। বিশ্বায়নের যুগে নানা দেশের নানা সংস্কৃতি যত বেশি একে অপরের সংস্পর্শে আসছে—পাল্টে যাচ্ছে, নিজেকে পাল্টিয়ে নিচ্ছে বা পাল্টে দিচ্ছে, এমন ওলটপালটের ভেতর দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্রের যে রূপ দাঁড়াচ্ছে, সেটি আবার স্বীকৃতি চাইছে অপর জাতীয় চলচ্চিত্রের কাছে, কখনো বা স্বীকৃতি নয়, নিয়ন্ত্রণই করতে চাইছে অপরের জাতীয় চলচ্চিত্রকে। বিশ্বের ছোট গ্রামে পরিণত হওয়ার এই ডামাডোলে কোনো কোনো জাতীয় চলচ্চিত্র হয়তো রূপ পাবে বহুজাতিকের, কোনোটির স্থান হবে জাদুঘরে আবার কোনোটি ধুঁকতে ধুঁকতে বেঁচে থাকবে হয়তো আরও কিছুদিন। কোনো জাতীয় চলচ্চিত্র দখল করে নিতে পারে হালফিলের হলিউড কারখানার স্থান। তখন বোধ করি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের ইতিহাস আজকের মতো জাতীয় চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে চর্চিত হবে না। কেন্দ্রে কী থাকবে সেটাও আগাম বলা সম্ভব নয়। তবে এখনকার বিচারে জাতীয় চলচ্চিত্রের পেছনে জাতীয়তাবাদের বাড়াবাড়ি বা উগ্র জাতীয়তাবাদের ধোঁয়া তুলে অনেকে হয়তো খোদ জাতীয় চলচ্চিত্রকে গালাগাল করতে পারেন ফ্যাসিবাদের একধরনের বহিঃপ্রকাশ বলে, কিন্তু জাতীয়বাদ একটা সীমারেখা পর্যন্ত দেশে দেশে জাতীয় মুক্তির আন্দোলনের মাধ্যমে শাসন ও শোষণের অবসানে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে এবং অবশ্যই বিশ্ব চলচ্চিত্রে নানা স্বাদের চলচ্চিত্র নির্মাণ করিয়ে নিয়েছে নির্মাতাদের দিয়ে। জাতিরাষ্ট্র হোক কিংবা জাতিরাষ্ট্র্র ভিত্তিক ওরফে জাতীয় চলচ্চিত্র কোথাও কিন্তু উগ্র জাতীয়তাবাদ (Chauvinism) আমাদের কাম্য নয়। পৃথিবীতে শয়ে শয়ে জাতি রয়েছে, থাকবেও, তাদের চিন্তা ও ভাবনার শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশও ঘটবে নানা সৃষ্টিশীল কাজে, তবেই না বর্ণিল হয়ে উঠবে চলচ্চিত্রের গুলিস্তান!
দোহাই
Stephen Croft, Concepts of National Cinema, The Oxford Guide to Film Studies (1998), edited by John Hill and Pamela Gibson, Oxford University Press, London
Stephen Croft, Reconceptualising National Cinema’s (1993), Theorising National Cinema (2006), edited by Valentina Vitali and Paul Willemen, BFI publication, London.
