বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের আনাচে-কানাচে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক হিজড়া, বেদে ও দলিত সম্প্রদায়ের মাথা গোজার ঠাঁই এবং তাদেরকে স্বাবলম্বী করতে সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকার সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও অশিক্ষিত বিভিন্ন জনগোষ্ঠির ভাগ্যোন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সেই পদক্ষেপগুলো পদে পদে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন উপভোগ করে নুতন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এতিম, ছিন্নমুল ও পথ শিশুদের জীবন-যাত্রার মানোন্নয়ন করতে সরকার মাসিক ভাতা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই ভাতা কার্যক্রম চালু করা হলে এতিম শিশু মাসিক এক হাজার টাকা করে সহায়তা পাবে। উপজেলার ৯টি নিবন্ধিত এতিম খানার ৮০ জন এতিম শিশু এই কর্যক্রমের আওতায় আসবে। এছাড়া বর্তমানে ৩ হাজার ২১ জনকে বয়স্ক ভাতা, ১ হাজার ৬১৩ জনকে বিধবা ভাতা, ৩০৩ জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা, ১০৮ জনকে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা এবং ২৩ জনকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা প্রদান করা হচ্ছে। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দরিদ্র জনগোষ্ঠির ভাগ্যের উন্নতি ঘটাতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প চালু করেন। যার ফলে বর্তমানে উপজেলার ৫৯টি গ্রামের ৩ হাজার ১১০ জন নারী-পুরুষ এ সুবিধা ভোগ করছে। এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রাকিবুল ইসলাম তরফদার বলেন, পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র, ছিন্নমুল, হিজড়া, বেদে ও দলিত সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠির ভাগ্যোন্নয়নে অধিদপ্তরের গৃহীত উদ্যোগ প্রসংশনীয়।
