ভোলার মনপুরা উপজেলার ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী জুলাই মাসের ঈদের আগে বেতন পাচ্ছেন না। এ কারণে তাদের ঈদের আনন্দে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশের অন্যান্য জেলা ও উপজেলার শিক্ষক-কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতন ভাতা উত্তোলন করলেও মনপুরা উপজেলার শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন উঠাতে গেলে মনপুরা সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তার অবহেলা ও খামখেয়ালীপনায় উত্তোলন না করতে পেরে তাদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা যায়। এসময় শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রতিমাসের বেতন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে উত্তোলন করে থাকি। কিন্তু এবার মনপুরা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজারের খামখেয়ালীপনায় আমরা বেতন নিতে পারছি না। সরকার আমাদের কথা চিন্তা করে ঈদের আগে বেতন ভাতা ছাড় করেছেন। অথচ ব্যাংক কর্মকর্তার অবহেলায় আমরা শিক্ষকরা ঈদের আগে বেতন তুলতে পারছি না। আমাদের ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে। এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে উপ-পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, গত ১ আগস্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতন ভাতাদির সরকারি অংশের টাকা ১২টি চেক স্মারক নং- ৩বি/৪২হিঃ/২০১৩/১১৬৬৭/৪ তারিখ ৩০/০৭/১৩ পত্রের মারফত অনুদান বন্টনকারী অগ্রণী, রূপালী, জনতা ও সোনালী ব্যাংকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ৭ আগস্টের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা জুলাই মাসের বেতন তুলতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু মনপুরা শিক্ষক-কর্মচারীরা জুলাই মাসের বেতন তুলতে সোনালী ব্যাংকে গেলে ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ঈদের পরে ছাড়া জুলাই মাসের বেতন দেয়া যাবে না। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে মনপুরা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ আলাউদ্দিন বলেন,আমরা ব্যাংক কপি এখনও হাতে পাইনি।
