আজ মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে পর্যায়ক্রমে মূল বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো।
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
Oh, Lord carry us safe across the Ocean of life.
জাহাজকে সমুদ্রের বুক চিড়ে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে নিয়ে যেতে ২টি বিষয়ের উপর কার্য পরিচালনা করতে হয়।
(১) দিকনির্দেশনা।
(২) ইঞ্জিনিয়ারিং/মেশিনারি ইকুপমেন্ট মেইনটেনেন্স।
দিকনির্দেশনাকার্য পরিচালনা করেন ক্যাপ্টেন। যার বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকে নটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর উপর। একজন ক্যাপ্টেনকে বলা হয় জাহাজের “অস্থায়ী মালিক”।
২য় কাজটি অর্থাত্ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ মেশিনারি ইকুপমেন্ট মেইনটেনেন্স করার দায়িত্বে থাকেন একাধিক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। যাদের প্রধান থাকেন Chief Engineer. পর্যায়ক্রমে 2nd Engineer, 3rd Engineer, 4th Engineer, 5th Engineer এবং Cadet Engineer-গণ।
মেশিনারি ইকুপমেন্ট অপারেশন ও মেইনটেনেন্সের জন্য তাদের উপর ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব অর্পণ করা থাকে এবং তাদের প্রধান দায়িত্ব থাকে ঐ সকল মেশিনারি বা যন্ত্রপাতি কোন প্রকার ক্ষতিসাধন ছাড়া সচল রাখা।
যেমন:
Mair Engine, Generator Engine, Boiler, pump, Lub-oil-Oil separator, oil-water separator, water purifying machine etc. যার প্রত্যেকটি একে অপরের সাথে কোন না কোনভাবে সংশ্লিষ্ট এবং সবই জাহাজের ও জাহাজে অবস্থানরত সকলের জীবন ধারণে সহায়তা করে।
আলোচ্য বিষয়:
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাথে সংশ্লিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রধান বিষয় সম্পর্কে ১ম আলোচনা।
I.C. Engine Principle:
Engine: যে সকল যন্ত্রের মাধ্যমে প্রাকৃতিক উেসর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে Engine বলে। ইঞ্জিন মূলত ২ ধরনের।
(i) তাপীয় ইঞ্জিন।
(ii) অতাপীয় ইঞ্জিন।
তাপীয় ইঞ্জিন:যে সকল ইঞ্জিনে ফুয়েল বা জ্বালানি হতে উদ্ভূত তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন।
