ডোমার ও বরগুনায় অগ্নিকাণ্ডে ৩৭টি ঘর ভস্মীভূত

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:১০
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮টি পরিবারের প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকাবাসী ও দমকল বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়ি মধুপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে দ্রুত তা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে ১৮টি পরিবারের ৩৬টি ঘর, ৩টি গরু, ধান, চাল ৫০ মণ, শুকনা মরিচ ২০, পাট ৩০ মণ, হলুদ ৩০ মণ, নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্রসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে এবং উক্ত পরিবারগুলো ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিউর রহমান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাহায্যের জন্য জেলা প্রশাসককে অভিহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই তাদের টিন, নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হবে। বরগুনা (উত্তর) প্রতিনিধি জানান, বরগুনার সাবেক এমপি মরহুম আলমগীর হোসেনের পশ্চিম বরগুনার বাসভবন অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার রাতে ঘরের দোতলায় রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। এমপি আলমগীরের বড় ছেলে রফিক অভিযোগ করেন, সময়মত ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছলেও রিজার্ভ ট্যাঙ্কে পানি না থাকা, পাম্প মেশিন বিকলসহ নানা ত্রুটির কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে তারা ব্যর্থ হয়। বরগুনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন লিডার মো. আবুল হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করার ২০ মিনিটের মধ্যেই ভাটার টানে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় পাম্পটি বিকল হয়ে যায়। এসময় ক্ষিপ্ত জনতার আক্রোসের মুখে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটে।