গেলো জুলাই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এসেছে। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরকে ভিত্তি ধরে জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিলো ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জুলাই মাসে এ হার কমে ৭ দশমিক ৮৫ ভাগে নেমে এসেছে। জুলাই মাসজুড়ে দেশের খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে ৭ দশমিক ৪০ ভাগে নেমে এসেছে। জুন মাসে এ হার ছিলো যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৬ এবং ৭ দশমকি ৭৫ ভাগ। গতকাল পরিসংখ্যান ভবনে মূল্যস্ফীতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল। তবে মাস ভিত্তিতে জুন থেকে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে চাল, আটা, মাছ, শাক-সবজি, ফল, মসলা ও দুধের দাম বেড়েছে। এ কারণে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে খাদ্য উপখাতে মূল্যস্ফীতির হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে কাপড়, বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে জুনের তুলনায় জুলাই মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতে দশমিক ৩৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে।
২০০৫-০৬ অর্থ বছরকে ভিত্তি ধরে দেশের গ্রামীণ পর্যায়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৪৩ ভাগ। যা জুন ২০১৩-তে ছিলো শতকরা ৭ দশমিক ৫৩ ভাগ। জুলাই মাসে গ্রামীণ পর্যায়ে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬৫ ও ৭ দশমিক ৫৯ ভাগ; যা জুন মাসে ছিলো যথাক্রমে ৯ দশমকি ৯৪ ও ৮ দশমিক ২১ ভাগ।
অন্যদিকে জুলাই মাসে শহর পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে ছিলো ৮ দশমিক ৬৪ ভাগ। যা জুন মাসে ছিলো ৯ দশমিক শূন্য ৮ ভাগ। জুলাই মাসে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬৫ ও ৭ দশমিক ৫৯ ভাগ; যা জুন মাসে ছিলো যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯৪ ও ৮ দশমিক ২১ ভাগ।
