ঈদের চাঁদ দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ চরাঞ্চলের শিশুদের ঈদ আনন্দ। দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে কেটে যায় তাদের বছরের অন্য দিনের মত উত্সবের এ বিশেষ দিনটিও। উপজেলার চরলুছনী, নয়ারচর, চর রহমানের কুটি, চরফলিমারী, পুটিমারীরচরসহ ৩০টি চরে শিশুদের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতরে নেই কোন আনন্দ। ঈদে নতুন জামা, ভালো খাবার তাদের কাছে স্বপ্নের মত। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দেয়া একটু সেমাই ঈদের দিন সকালে থালায় পেলে তাদের আনন্দের সীমা থাকে না। এ জন্য চরের শিশুরা এ ঈদের নাম দিয়েছে ‘সেমাই খাওয়া ঈদ’। রিলিফের মোটা চালের ভাত, শাকপাতা, মিষ্টি আলু খেয়ে তাদের খাবারের চাহিদা পূরণ করে। চিকিত্সা বলতে কবিরাজি, ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজ। অপুষ্টি নিয়ে বড় হয় এ অঞ্চলের শিশুরা।
