ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ছিনতাই করতে নামা সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে স্বর্বস্ব খুইয়েছেন নারগিছ আক্তার। তার স্বামী নূরুল ইসলাম হোসেন ডিএমপি’র এসবিতে কর্মরত। অপর ভাইদের একজন বরিশালের পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও অপরজন পুলিশ বিভাগেই কর্মরত। গত ২৫ জুলাই নারগিছ আক্তার ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চযোগে তজুমদ্দিন উপজেলার চাচড়া ঘাটে নামেন। পার্শ্ববর্তী উপজেলা লালমোহন যাওয়ার পথে তাকে ছিনতাইকারীরা ধরে নগদ ২০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ দু’লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়। স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের সময় নারগিছ এক ছিনতাইকারীকে ঝাপটে ধরলে তাকে কামড়ে দু’টি আঙ্গুল রক্তাক্ত করে। এ সময় নারগিছের ডাক-চিত্কারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তিনজনকে দেখে ফেলেন। তাত্ক্ষণিক ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা তিন ছিনতাইকারীর বাড়ি ঘেরাও করে ধরার চেষ্টা করলেও তাদেরকে রাতে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। নারগিছ অভিযোগ করেন এ ব্যাপারে তজুমদ্দিন থানায় অভিযোগ দেয়া হলে থানার ওসি দস্যুতা ও ছিনতাইয়ের ধারা বাদ দিয়ে চুরির মামলা রুজু করেন। তিন ছিনতাইকারী এ মামলায় জামিন পেয়ে বর্তমানে তাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আকতার হোসেন জানান, বাদির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান ইত্তেফাককে জানান, বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন চার্জশীটের সময় মামলার ধারা পরিবর্তন করে দেয়া হবে।
