ভালুকায় আমনের আবাদ হুমকির মুখে

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৩, ২২:০৫
অনাবৃষ্টি ও সেচের অভাবে এ বছর সঠিক সময়ে আমন ধানের চারা রোপণ করতে পারছে না ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আমনচাষীরা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ভালুকার আমনের আবাদ। ফলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এলাকার কৃষক। উপজেলার যে এলাকায় গভীর ও অগভীর নলকূপ রয়েছে ওই সব এলাকার চাষীরা সেচের পানি দিয়ে ক্ষেত তৈরি করে আমন আবাদের চেষ্টা করলেও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং-এর কারণে মোটর চালিত পাম্প দিয়ে পানি উঠাতে পারছেন না। এছাড়া দফায় দফায় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পাওয়ার পাম্প দিয়ে সেচ পরিচালনা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষকদের কাছে। ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের ভায়াবহ গ্রামের কৃষক রঞ্জিত দেবনাথ জানান, তার ১ শত ৫০ শতাংশ জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করছে কয়েকজন শ্রমিক। ওই জমির প্রতি ৭ শতাংশ চাষের জন্য ট্রাক্টর ভাড়া দেওয়া হয়েছে ২শত ৫০ টাকা করে। এছাড়া চারা রোপণের জন্য প্রতি শ্রমিককে দৈনিক মজুরী হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ২ শত ৫০ থেকে ৩ শত টাকা করে। খরার কারণে তার সব জমি চাষ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। একই এলাকার বর্গাচাষী শুক্কুর আলী জানান, মুক্তা (বিআর-১১) যদি সঠিক সময়ে রোপণ না করা যায়, তাহলে শীতের কারণে ধান বের হবে না, এতে ফলন কম হবে। উপজেলার রাংচাপড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, একেতো বৃষ্টি নেই তার উপর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুত্ আসা যাওয়া করছে ৫/৬ বার। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান জানান, এ বছর ভালুকা উপজেলায় ১৯ হাজার ৭ শত হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। অনাবৃষ্টির কারণে বিকল্প সেচের মাধ্যমে দেরিতে হলেও উপজেলার কিছু কিছু জায়গায় রোপণ কাজ শুরু হয়েছে।