সাতটি বাদে বাকি সব তৈরি পোশাক কারখানা বেতন-বোনাস দিয়েছে

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৩, ২৩:০৮
৭টি কারখানা বাদে বাকি সব তৈরি পোশাক কারখানা শ্রমিকদের বেতন ও ঈদ বোনাস দিয়েছে বলে দাবি করেছে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাস দেয়ার বিষয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে আয়োজিত গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন সংগঠনের সভাপতি আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, যে ৭টি কারখানার বিষয়ে বাকি রয়েছে, তারাও দিচ্ছে। আশা করছি আজ রাতের মধ্যে (গতকাল বুধবার) এটি সম্পন্ন করা যাবে। এ জন্য বিজিএমইএ’র টিম সার্বক্ষণিক তদারক করবে। ঈদের আগে গার্মেন্টস কারখানার বেতন-বোনাস প্রদান করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। গাজীপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীসহ কয়েকটি স্থানে কারখানায় শ্রম অসন্তোষের মত ঘটনাও ঘটে। বিজিএমইএ’র হিসাবে, বর্তমানে সারাদেশে বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৩ হাজার ২০০ কারখানা চালু রয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকশ কারখানা চালু রয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি জানান, ৯২৭টি কারখানায় বেতন বোনাস দেয়ার বিষয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। এসব কারখানাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আনতে ১৫টি টিম সার্বক্ষণিক তদারক করেছে। এ খাতের বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে আতিকুল ইসলাম বলেন, এসব সত্বেও মালিকপক্ষ বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করছেন। এছাড়া কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকরা চলতি মাসের ১০ দিনের বেতন দেয়া এবং ১০ থেকে ১৫টি ছুটি দেয়ার দাবিতে আন্দোলন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি অযৌক্তিক। এ বিষয়েও আমরা জোর করতে চাচ্ছি না। তাদের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে এটি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অন্যদিকে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করছেন, সব কারখানায় এখনো বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয় নি। গাজীপুর ও আশুলিয়ার কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকদের একটি অংশকে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বের করে দেয়া হচ্ছে। ট্রেড ইউনিয়ন করতে চায় এমন শ্রমিকরাই এ ঘটনার শিকার। এছাড়া প্রচলিত রীতি অনুযায়ী শ্রমিকদের বোনাস দেয়া হচ্ছে না। তিনি শ্রমিকদের মূল বেতনের সমান বোনাস দেয়ার দাবি জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, শ্রম আইনে বোনাসের বিষয়ে কোন নীতিমালা নেই। কারখানাগুলো রীতি অনুযায়ী বোনাস দিয়ে আসছে। এটাই চলে আসছে।