++ মহিলা :আমার স্বামীর মানসিক চিকিত্সা করুন ডাক্তার সাহেব। এখন ওর বয়স হয়েছে, আমারও হয়েছে। অথচ এই বয়সে এসে ও হঠাত্ করে নিজেকে রেফ্রিজারেটর ভাবতে শুরু করেছে।
ডাক্তার :এতে চিন্তার কিছু নেই। বয়স হলে মাঝে মাঝে এমনটা হতে পারে। একটু সময় দিন আর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বলুন। দেখবেন এমনিতেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
মহিলা :কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে যে আমার খুব সমস্যা হয়ে যায়!
ডাক্তার :কী রকম সমস্যা শুনি।
মহিলা :না মানে ও তো মুখ হাঁ করে ঘুমায় আর এতে রেফ্রিজারেটর খোলা থাকার আলোতে আমি ঘুমাতে পারি না।
++ :বলো তো, পুরুষরা তাদের কাপড়কে কয় ভাগে ভাগ করে?
:দুই ভাগে। এক. ময়লা কাপড় এবং দুই. ময়লা কাপড় কিন্তু আরও দু’একবার পড়া যাবে।
++ এক মহিলা দাওয়াতে যাওয়ার আগে প্রায় আধঘণ্টা সময় নিয়ে খুব রূপচর্চা করলেন। চোখে আইলাইনার, মাশকারা থেকে শুরু করে হালকা মেকাপ আর লিপগ্লস সবকিছুই একটু আধটু ব্যবহার করলেন। তারপর নিজের রুম থেকে বেরিয়ে স্বামীর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই দেখ তো, আমাকে ‘ন্যাচারাল’ লাগছে না!’
++ শহরের এক সুন্দরী তরুণী গ্রামে বেড়াতে এসেছে। গাঁয়ের পথে হাঁটতে হাঁটতে একটি ফার্মের পাশে দাঁড়িয়ে ফার্মের মালিকের সঙ্গে আলাপ জুড়ে দিল সে—
তরুণী :ও মা! কী সুন্দর একটা গরু। কিন্তু এই গরুটার শিং নেই কেন?
ফার্মের মালিক :দেখুন ম্যাডাম, নানা কারণে একটা গরুর শিং না থাকতে পারে। যেমন কিছু গরুর জন্ম থেকেই শিং থাকে না, কিছু গরুর শিং খসে যায়, কিছু গরুর খারাপ স্বভাবের জন্য শিং কেটে ফেলতে হয়। তবে আপনি যেটার শিং নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন সেটা গরু নয়, সেটা আসলে একটা ঘোড়া।
