ঈদের ছুটিতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মাংসের। ঈদের আগে ও পরে মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে সবজিভেদে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই অবস্থা মাংসের ক্ষেত্রেও।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের বন্ধ থাকায় মোকাম থেকে কোন সবজি আসেনি। ঈদের আগে আনা সবজিই বাজারে বিক্রি হচ্ছে। তাই সবজির মান তুলনামূলক ভালো না হওয়া সত্ত্বেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল রবিবার রাজধানীর কাওরানবাজার, নিউমার্কেট ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির সরবরাহ তুলনামূলক কম।
কাওরানবাজারের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী ফরিদ বলেন, ঈদের ছুটি থাকায় পাইকারি বাজারগুলোতে মোকাম থেকে সবজি আসেনি। তাই দাম বেড়েছে। তবে এটা সাময়িক। সরবরাহ বাড়লেই দাম কমে যাবে। তিনি বলেন, আজকেই ( রবিবার) মোকাম থেকে পুরোদমে মাল আসা শুরু হবে।
শান্তিনগরের খুচরা সবজি ব্যবসায়ী রতন বলেন, গতকাল বাজারে আলু ১৮ থেকে ২০ টাকা , বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, লাউ আকারভেদে প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা , পটল ও ঢেঁড়শ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁকরল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা ও শশা ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা ঈদের আগে সবজিভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবজির সরবরাহ কমার পাশাপাশি অনেক ব্যবসায়ী দেশে গেছেন ঈদ করতে। তাদের দোকান বন্ধ। এসব ব্যবসায়ীরা দোকান খুললে এবং মোকাম থেকে সবজি আসা শুরু হলেই দাম কমে আসবে বলে তিনি জানান।
এদিকে সবজির পাশাপাশি দাম বেড়েছে বিভিন্ন মাংসের। গতকাল বাজারে গরুর মাংস ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, খাসি ৫শ’ থেকে ৫২০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু ঈদের আগে গরুর মাংস ৩শ’ থেকে ৩২০ টাকা, খাসি ৪৫০ থেকে ৫শ’ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।
এ প্রসঙ্গে কাওরানবাজারের মাংস ব্যবসায়ী হেলাল বলেন, ঈদের মাংসের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু বন্ধ থাকায় চাহিদামতো গরু, ছাগলের যোগান নেই। এজন্য মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে দু’একদিনের মধ্যে দাম কমে যাবে।
